কার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে? কে ক্ষমা করতে পারেন? কিভাবে ক্ষমা চাইতে হবে? ক্ষমার আয়াত-ভাষা, সোর্স-উৎস-সূত্র-রেফারেন্স কোথায় পাব?

আর আল্লাহ ছাড়া পাপ ক্ষমা করবে কে? 👇

 আর যারা কোন অশ্লীল কাজ করে ফেললে কিংবা নিজেদের/নফসের প্রতি জুলুম করে ফেললে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং নিজেদের গুনাহ/পাপের জন্য ক্ষমা চায়। আর আল্লাহ ছাড়া পাপ ক্ষমা করবে কে ? আর তারা জেনেশুনে নিজেদের নিজেদের (পাপ) কাজের পুনরাবৃত্তি করে না/বার বার করে না/অটল থাকে না-3:135

 আর তোমরা দ্রুত/তীব্র গতিতে এগিয়ে চল তোমাদের রবের মাগফিরাত ও জান্নাতের দিকে, যা আসমানসমূহ ও যমীনে বিদ্যমান/উপস্থিত, যা মুত্তাকীদের জন্য হিসেব করে গুণে রাখা হয়েছে-3:133

 নিশ্চয় আল্লাহ যাবতীয় পাপ ক্ষমা করবেন। নিশ্চয় তিনি, তিনিই ক্ষমাশীল, দয়ালু-39:53

ক্ষমার জন্য আবেদনপত্র-দুআ: অডিও/ভিডিও নিচের দিকে দ্র:

🔖 ক্ষমা চাইতে, আশ্রয় চাইতে বলা হয়েছে কেবলমাত্র  আল্লাহর কাছে (যিনি মানুষের একমাত্র ইলাহ): 👇


 অতএব, জেনে রাখ, নিশ্চয় আল্লাহ ছাড়া ইলাহ নেই। এবং তুমি তোমার ভুল—ত্রুটির জন্য এবং মুমিন পুরুষদের ও মুমিন নারীদের জন্য ক্ষমা চাও। আর আল্লাহ জানেন তোমাদের গতিবিধি ও তোমাদের অবস্থান-47:19 (113:1-5, 114:1-6)


 আর তুমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। নিশ্চয় আল্লাহ হলেন ক্ষমাশীল, দয়ালু-4:106 (2:199, 73:20)


 তবে কি তারা আল্লাহর কাছে তওবা করবে না এবং তাঁর কাছে ক্ষমা চাইবে না? অথচ আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু-5:74


◆ বলো, হে আমার বান্দারা, যারা নিজেদের উপর বাড়াবাড়ি করেছো (গুনাহ করেছো), তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেন। তিনিই তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু-39:53


📍ক্ষমা চাওয়া ইবাদত: প্রমাণ-  👇

দেখুন- আয়াত ২৭:৪৫-৪৬, 40:60

📍ক্ষমা চাইলে দুনিয়াতেও সব দিক থেকে লাভ আছে: প্রমাণ- 👇

দেখুন  আয়াত ১১:৫২, ৭১:১০-১২, ২:২৬৮, ৪২:২৮, ৩৩:৩৫ 

📍কারা ক্ষমা প্রার্থনা করেনা (যারা আয়াতে বিশ^াসী মুসলিম নয় তারা মুজরিমিন): 

দ্র: আয়াত ১১:৫২ (৬৮:৩৫, ১০:৮২, ১০:৭৫)

──  。゚: *. .* :──

📌Immediately-instantly তাওবা ও সংশোধিত হওয়া: মরার সময় তওবার স্কোপ নাই:

 আর যারা, যখন তাদেরকে তাদের রবের আয়াতসমূহের বিষয়ে স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়, তারা সেটার ওপর বধির হয়ে ও অন্ধ হয়ে পড়ে থাকে না-25:73


 বস্তুত আল্লাহর কাছে তাদেরই তওবার সুযোগ রয়েছে যারা অজ্ঞতাবশত পাপ/মন্দ/নোংরা কাজ করে, তারপর শীঘ্রই তওবা করে ফিরে আসে। এরাই তারা, যাদের তাওবাহ্‌ আল্লাহ কবুল করেন । আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাবান-4:17


 আর তাওবা নাই তাদের, যারা সারাজীবন অন্যায়-পাপ‑জুলুম করতেই থাকে, অবশেষে যখন তাদের কারো মৃত্যু এসে উপস্থিত হয়, তখন বলে, “আমি এখন তওবা করলাম;”  তাদেরও (তওবার সুযোগ) নেই যারা (আয়াত অস্বীকারকারী/উপেক্ষাকারী/গোপনকারী/বিক্রীকারী হয়ে) কাফের অবস্থায় মারা যায়। এসব লোকদের জন্য আমি যন্ত্রণাদায়ক আযাব‑বেদনাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি-4:17:18    [9:80,85; 3:90,91; 4:48,116,137,168; 31:13]

🔔 কারেকশন সেন্টার: 

তোমাদের মধ্যে যে দুজন (নর‑নারী) ঐ কাজ (ব্যভিচার) করবে তাদেরকে তোমরা শাস্তি দেবে । তারপর তারা যদি তওবা করে এবং নিজেদেরকে সংশোধন করে নেয় তাহলে তাদেরকে তাদের মত থাকতে দিও। নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবা কবুলকারী,পরম দয়ালু-4:16

✧ কীভাবে ক্ষমা চাইতে হবে? (তওবার শর্তাবলী)
✧ কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হওয়া।
✧ পাপ থেকে সম্পূর্ণরূপে ফিরে আসা 
✧ ভবিষ্যতে সেই পাপ আর না করার দৃঢ় সংকল্প করা।
✧ মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন হলে তা পূরণ করা।
দেখুন আয়াত:  66:8, 11:90, 25:68-71

── ・ 。゚☆: *.☽ .* :☆゚. ──

📌অন্যায়-ভুল-ভ্রান্তিতে অপরাধের জন্য সরাসরি কোনা মানুষের কাছে ক্ষমা চাওয়া যাবে কি?  [সে যে-ই হোক না কেন: এমনকি পিতা-মাতা-ভাই-বোন-স্বামী-স্ত্রী-অন্য যেকেউ কিংবা দেশ বা জাতীর কাছে)] প্রমান- 👇

দেখুন আয়াত: ২৮:১৬, ১২:৯৭-৯৮, ১৯:৪৭, ২৫:৬২, ১২:৯১-৯২, ৬৬:৪ (২:২৮৬, 16:53)

📌তবে বান্দার হক? অন্যের প্রতি জুলুম-অন্যায়?
সেটা আমলের বিষয়, প্রমাণ- 👇

 তোমরা জুলুম করবে না আর তোমরা জুলুমের শিকার হবে না-2:279, (2:272)


  শক্তি-ক্ষমতার অপব্যবহার করে অন্যের সম্পদ-টাকা-পয়সা-বউ-স্বামী-কুক্ষিগত করলে, অবৈধ গ্রাস করলে, আত্ত¥সাৎ করলে, অন্যের প্রতি জুলুম করলে সেটি তাওবার সহিত সংশ্লিষ্টদের ক্ষতিপূরনের ব্যবস্থা করতে হবে/ ফেরত দিতে হবে, নিজকে সংশোধিত (ইসলাহ) হতে হবে যেসব বিষয় আমলের সাথে সংশ্লিষ্ট (তবে ক্ষমা চাইতে হবে একমাত্র আল্লাহর কাছেই)  যেমন দ্র: আয়াত ২৫:৬৮-৭১, ৬:১৫১-১৫৩, ১৭:২৩-৩৯, ৪:৩১, ২:১৮৮, ৫:৬২-৬৩, ৪:২৯, ৩:১৬১, ৫:৪২।


🔖 তবে আমাদেরও (আয়াতে বিশ^াসী মুসলিমদের) মনে রাখতে হবে- 👇 

আর তারা যেন ক্ষমা করে দেয় এবং তারা যেন উপেক্ষা করে। তোমরা কি পছন্দ করো না যে, আল্লাহ তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিবেন? আর আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু-24:22
এইমর্মে ভেবে দেখি নিজের অবস্থা- Choice is yours!
──  。゚: *. .* :──

📌এ পর্যায়ে  ক্ষমার আয়াত-ভাষা, সোর্স-উৎস-সূত্র-রেফারেন্স কোথায় পাব?

তাওবা-ক্ষমা চাওয়া-দুআর উৎস হবে কেবলমাত্র কেবলমাত্র নাযিলকৃত অহীর সংযোগের অনুশীলন তথা আল-কোরআন থেকেই, অন্যকোন উৎস থেকে সংগ্রহ-সংকলন ও অনুসরন করা যাবে না (অন্যসব বাতিল-ভ্রষ্টতা), প্রমাণ- 👇

দেখুন আয়াত: ২৭:৬, ১৭:৯, ৬:১৯, ৪৬:৯, ৩৪:৬, ৭:৩, ২৮:৮৫, ১৭:৮১,১৩:১, ২৩:৬২,  ৪৭:২-৪, ১০:৩২, 6:106
──  。゚: *. .* :──

ক্ষমার জন্য আবেদনপত্র-দুআ:

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post