📖 আর আল্লাহ অসত্যকে (বাতিলকে) মুছে দেন এবং তাঁর বাণী দিয়ে (বিকালিমাতিহি) ‘সত্য’ প্রতিষ্ঠিত করেন-42:24
এখানে আরও যাকিছু অনুধাবনে জানতে পারি:
📌 আল-কুরআনকেই হিদায়েতে (হুদা) একমাত্র কিতাব -এটি অনুসরন করলে No tension! তানাহলে দু:খ-কষ্টের সীমা থাকবে না:
📌 বিশেষ অর্ডিনেন্স জারি: আল-কোরআন বাইরে কোনো কিছু অনুসরন সবই বাতিল ঘোসণা:
📌 আল-কুরআন মুমিনের জন্য প্রতিষেধক/ শেফা- কিন্তু এটা যে নিবে না তার জন্য উল্টোটি (71:28):
📌কুরআন ব্যতীত অন্য পথে রবের সংযোগ বিচ্ছিন্ন: দ্বীনি ডিসকানেক্টের পরিণতি।
📌মুহতাদুন (হেদায়েত প্রাপ্তগণ): আল-কোরআনের হিদায়েত তারাই পাবেন যারা এর সাথে কোনো কিছু যুক্ত করেনা/ যে আয়াতসমূহের প্রতি ঈমান এনে মুসলিম:
📌 একমাত্র হিদায়েতের কিতাব আল-কোরআন রহমত-সুসংবাদ মুমিনের জন্য/ মুসলিমদের জন্য:
📌 স-ব শেষ, সব আমল নষ্ট-বৃথা: কিন্ত কেন?
📌 একমাত্র আল-কুরআনের আয়াতসমূহে কে বা কারা ঈমান আনে না, আনবে না এবং কেন?
📌 আল-কুরআনের হিদায়েতের বাইরে সবই যে ভ্রষ্টতা ও শয়তানের অনুসারী (মুহতাদিন এর বিপরীত ) :
📌হক্ব ও বাতিল: সুস্পষ্ট সংজ্ঞা ও বিভেদ।
📌হুদা (হেদায়েত) বনাম দালালা (ভ্রষ্টতা): একটি বিশ্লেষণ।
☆ ☆ ☆ ☆ ☆ ☆
আল-কুরআনকেই হিদায়েতে (হুদা) একমাত্র কিতাব বলা হয়েছে এটি অনুসরন করলে No tension! তানাহলে দু:খ-কষ্টের সীমা থাকবে না:
আল-কুরআনের বাইরে অন্যকিছু অনুসরন করলে রবের সাথে সংযোগ বিচ্ছিন্ন (ইন্টারনেট) disconnect হয়ে যাবে:
🔖
[মুত্তাকীর বৈশিষ্ট্য 2:177, 50–31+32+33, 3–15+16+17, 3–133-135, 2–3+4+5]
🔖
✨ একমাত্র হিদায়েতের কিতাব আল-কোরআন রহমত-সুসংবাদ মুমিনের জন্য/ মুসলিমদের জন্য:
হিদায়েত হিসাবে একমাত্র আল-কুরআন যে গ্রহন করবে না সেই পথভ্রষ্ট ও ক্ষতিগ্রস্থ: :
আল-কুরআন মুমিনের জন্য প্রতিষেধক/ শেফা- কিন্তু এটা যে নিবে না তার জন্য উল্টোটি (71:28):
🔖
🔖
🔗আরও দেখুন আয়াত-
🔖 যারা অনুসরণ করে সেই উম্মী নবী রাসূলের, যার বর্ণনা তারা তাদের কাছে তাওরাত ও ইনজিলে লিখিত পায়; যে তাদের সৎকাজের নির্দেশ দেয় এবং অসৎকাজ থেকে নিষেধ করে; তাদের জন্য পবিত্র জিনিস হালাল করে এবং অপবিত্র জিনিস হারাম করে; আর তাদের ওপর থেকে তাদের বোঝা ও বন্ধন নামিয়ে দেয় যা তাদের ওপর ছিল। সুতরাং যারা তার প্রতি ঈমান আনে, তাকে সম্মান করে, তাকে সাহায্য করে এবং তার সাথে যে নূর (কোরআন) নাযিল করা হয়েছে তার অনুসরণ করে, তারাই সফলকাম। বলুন, 'হে মানবজাতি! নিশ্চয়ই আমি তোমাদের সবার প্রতি আল্লাহর রাসূল, যিনি আসমানসমূহ ও জমিনের মালিক; তিনি ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই; তিনিই জীবন দান করেন ও মৃত্যু ঘটান। সুতরাং তোমরা আল্লাহ ও তাঁর উম্মী নবী রাসূলের প্রতি ঈমান আনো, যে আল্লাহ ও তাঁর বাণীসমূহের প্রতি ঈমান আনে, এবং তাকে অনুসরণ করো যাতে তোমরা হেদায়েত প্রাপ্ত হও-
স-ব শেষ, সব আমল নষ্ট-বৃথা: কিন্ত কেন?
কারন একমাত্র আয়াতসমূহের বিষয় তথা আল-কোরআন মেনে না নিলে:
🔖 বলো! আমরা কি তোমাদেরকে কর্মসমূহের দিক দিয়ে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের সম্পর্কে জানাব?তারা, দুনিয়ার জীবনের ভিতরে যাদের চেষ্টা বিফলে গেছে। অথচ তারা মনে করছে যে তারা ভালো কাজ করছে। ওরাই, যারা অস্বীকার করেছে তাদের রবের আয়াতসমূহের বিষয় ও তাঁর সাক্ষাত। ফলে তাদের আমলসমূহ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। অতএব, কিয়ামাতের দিন আমরা তাদের জন্য কোনো পরিমাপ স্থাপন করব না। সেটাই, তাদের প্রতিদান জাহান্নাম, যেহেতু তারা কুফর করেছে এবং আমার আয়াতসমূহ ও আমার রসূলদেরকে তাচ্ছিল্য করে গ্রহণ করেছে -আল-কাহফ 18:103-106
যারা একমাত্র নাযিলকৃত কোরআনে বিশ্বাসী তারাই আসলে আখিরাতে বিশ^াসী নয় অন্যথা নয়:
এবং যারা তোমার প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে এবং তোমার পূর্বে যা নাযিল করা হয়েছে তাতে বিশ্বাস করে, আর আখিরাতে তারা দৃঢ় বিশ্বাসী-২:৪
মুহতাদুন (হেদায়েত প্রাপ্তগণ): আল-কোরআনের হিদায়েত তারাই পাবেন যারা এর সাথে কোনো কিছু যুক্ত করেনা/ যে আয়াতসমূহের প্রতি ঈমান এনে মুসলিম:
🔖
🔖
🔖
🔗 আরও দেখুন আয়াত-
আল-কুরআনের হিদায়েতের বাইরে সবই যে ভ্রষ্টতা ও শয়তানের অনুসারী (মুহতাদিন-এর বিপরীত ):
🔖
🔗
বিশেষ অর্ডিনেন্স জারি: আল-কোরআন বাইরে যেকোন কিছু অনুসরন সবই বাতিল ঘোসণা:
🔖 আর আমি এটিকে সত্য সহকারে নাযিল করেছি এবং এটি সত্য সহকারে নাযিল হয়েছে। আর আমি আপনাকে কেবল সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপেই পাঠিয়েছি-17:১০৫ (35:24, 39:2, 13:1, 39:41)
🔖আর যা আমি তোমার প্রতি কিতাবের মাধ্যমে ওহি করেছি, তা সত্য, যা তার পূর্ববর্তী কিতাবসমূহের সত্যতা প্রমাণ করে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর বান্দাদের সম্পর্কে সর্বজ্ঞ, সর্বদ্রষ্টা-সূরা ফাতির: ৩১
🔖 আর সত্যসহ আমরা তা নাযিল করেছি এবং সত্যসহ তা নাযিল হয়েছে। আর আমরা তোমাকে সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী হিসাবে ছাড়া পাঠাই নাই; এবং কুরআনকে, আমরা তা অংশ অংশ করেছি, যেন তুমি তা মানুষের কাছে থেমে থেমে পাঠ করতে পারো এবং আমরা তা নাযিল করেছি, পর্যায়ক্রমে। বলো! তোমরা এর প্রতি ঈমান আন বা ঈমান না আন। নিশ্চয় যাদেরকে এর পূর্বে জ্ঞান দেয়া হয়েছে, যখন তা তাদের কাছে পাঠ করা হয়, তারা চিবুকসমূহের উপর সিজদারত হয়ে লুটিয়ে পড়ে। এবং তারা বলে, পবিত্রতা আমাদের রবেরই। নিশ্চয় আমাদের রবের প্রতিশ্রুতি অবশ্যই কার্যকর হবে-17:105-108 (13:1)
🔖আর যারা ঈমান আনে ও আমলে সলেহ করে এবং সে বিষয়ে ঈমান আনে যা মুহাম্মাদের ওপর নাযিল করা হয়েছে আর তা তাদের রবের পক্ষ থেকে সত্য। তিনি তাদের থেকে তাদের ত্রুটিগুলো লুকিয়ে রাখেন এবং তাদের অবস্থা সংশোধন করেন। সেটা এ কারণে যে, যারা কুফর করে তারা বাতিলের অনুসরণ করে। আর এটাও যে, যারা ঈমান আনে তারা তাদের রবের পক্ষ থেকে হকের অনুসরণ করে। ওভাবেই আল্লাহ মানুষের জন্য তাদের দৃষ্টান্তসমূহ উপস্থাপন করেন-সূরা মুহাম্মাদ 47:2-3
অতএব, সেই আল্লাহই তোমাদের প্রকৃত রব। অতএব, সত্যের পর ভ্রষ্টতা ছাড়া কী আছে? তাহলে কিভাবে তোমাদেরকে ফেরানো হচ্ছে?-10:32
📢 নিশ্চয় আমাদের রবের রাসূলগণ সত্য সহকারে এসেছিলেন-(7:43, 7:53)। আর বলো! হক (আল-কোরআন) এসেছে এবং বাতিল বিলীন হয়েছে। নিশ্চয় বাতিল হলো বিলীন। আর আমরা কুরআন থেকে যা নাযিল করি, তা মুমিনদের জন্য আরোগ্য ও রহমত। আর তা জালিমদের ক্ষতি ছাড়া বৃদ্ধি করে না-বনি ইসরাইল 17:81-82
🔖 বলো! ওহে মানুষ! অবশ্যই তোমাদের কাছে তোমাদের রবের পক্ষ থেকে সত্য/হক (আল-কোরআন) এসেছে। অতএব, যে সঠিক পথে চলে, সে মূলত তার নিজের জন্যই সঠিক পথে চলে। আর যে পথচ্যুত হয়, তবে সে মূলত পথচ্যুত হয় তারই বিপক্ষে। আর আমি তোমাদের উপর মধ্যস্থতাকারী নই-10:108
🔖 আর যখন তারা রাসূলের প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে তা শোনে, তখন তাদের চোখ থেকে অশ্রু গড়িয়ে পড়তে দেখেন, কারণ তারা সত্যকে চিনেছে। তারা বলে, হে আমাদের রব! আমরা ঈমান আনলাম, সুতরাং আমাদেরকে সাক্ষ্যদাতাদের অন্তর্ভুক্ত করে নিন-5:৮৩
🔖 আর আমাদের কী হয়েছে যে, আমরা আল্লাহ ও আমাদের কাছে আগত সত্যের প্রতি ঈমান আনব না, এবং আশা করব না যে, আমাদের রব আমাদেরকে সৎকর্মশীল সম্প্রদায়ের সাথে প্রবেশ করাবেন?-5:84
🔖 অতএব, তারা সত্যকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে যখন তা তাদের কাছে এসেছে। সুতরাং অচিরেই তাদের কাছে সে বিষয়সমূহের সংবাদ আসবে যা নিয়ে তারা ঠাট্টা করত-6:৫)
🔖 আমি কি আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোন বিচারক অন্বেষণ করব? অথচ তিনিই তোমাদের প্রতি কিতাব নাযিল করেছেন বিস্তারিতভাবে। আর যাদেরকে আমি কিতাব দিয়েছি, তারা জানে যে, এটি আপনার রবের পক্ষ থেকে সত্য সহকারে নাযিল হয়েছে। সুতরাং আপনি সন্দেহকারীদের অন্তর্ভুক্ত হবেন না-6:১১৪)
🔖 নিশ্চয় আমি তোমাদের কাছে সত্য সহকারে এসেছিলাম, কিন্তু তোমাদের অধিকাংশই সত্যকে অপছন্দকারী। নাকি তারা কোনো বিষয়ে দৃঢ় সিদ্ধান্ত নিয়েছে? তবে নিশ্চয় আমরা দৃঢ় সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী-43:৭৮-79
🔖 যারা ঈমান এনেছে, তাদের জন্য কি সেই সময় আসেনি যে, তাদের অন্তর আল্লাহর স্মরণ এবং যে সত্য নাযিল হয়েছে তার প্রতি বিনয়াবনত হবে? আর তারা যেন তাদের মত না হয় যাদেরকে পূর্বে কিতাব দেয়া হয়েছিল, অতঃপর তাদের উপর দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হওয়ায় তাদের অন্তর কঠিন হয়ে গেছে। আর তাদের অনেকেই ফাসিক-57:১৬)
🔖 এবং যারা জ্ঞানপ্রাপ্ত হয়েছে তারা যেন জানে যে এটি তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে সত্য, ফলে তারা এতে বিশ্বাস করবে এবং তাদের হৃদয় এর সামনে বিনয়াবনত হবে। আর আল্লাহ অবশ্যই মুমিনদেরকে সরল পথে পরিচালিত করেন-22:54
🔖অবশ্যই তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে তোমার কাছে সত্য এসেছে, সুতরাং সন্দেহকারীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না-10:94
🔖 যে ব্যক্তি তার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে স্পষ্ট প্রমাণের উপর প্রতিষ্ঠিত, এবং তার সঙ্গে রয়েছে তাঁর পক্ষ থেকে সাক্ষ্যদানকারী, আর তার আগে ছিল মূসার কিতাব—পথনির্দেশ ও রহমতরূপে—তারা এতে বিশ্বাস করে। আর যে কোনো দল এর প্রতি অবিশ্বাস করে, তার ঠিকানা হলো আগুন। সুতরাং এতে সন্দেহ কোরো না, এটি তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে সত্য, কিন্তু অধিকাংশ মানুষই বিশ্বাস করে না-11:১৭
🔖 যে জানে যে তোমার
প্রতি তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে যা
অবতীর্ণ হয়েছে, তা সত্য—সে
কি তার মতো, যে
অন্ধ? কেবল বুদ্ধিমানরাই এতে
শিক্ষা গ্রহণ করে-13:১৯ (
📌 একমাত্র আল-কুরআনের আয়াতসমূহে কে বা কারা ঈমান আনে না, আনবে না এবং কেন?
আমি আমার আয়াতসমূহ থেকে ফিরিয়ে দেব তাদেরকে যারা যমীনে অন্যায়ভাবে অহংকার করে। আর যদি তারা প্রতিটি আয়াত দেখেও, তাতে ঈমান আনবে না। আর যদি তারা হেদায়েতের পথ দেখে, তা পথ হিসেবে গ্রহণ করবে না। আর যদি তারা ভ্রান্তির পথ দেখে, তা পথ হিসেবে গ্রহণ করবে। এটা এজন্য যে, তারা আমার আয়াতসমূহকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে/অকার্যকার করছে এবং সেগুলো থেকে গাফেল ছিল-৭:১৪৬)
🔗আরও দ্র: আয়াত: ৩:৩, ২:১৪৭, ৪:১৭০, ৫:৪৮, ৯:৩৩, ১০:৩২, ১৬:১০২, ১৩:১, ১০৩:১-৩, ৩৭:৯, ২:১৪৯
অডিও/ভিডিও


