আল কুরআন সম্পর্কে আমাদের রব যাকিছু আমাদেরকে জানিয়েছেন-
নিচের দিকে একটি ভিডিও রয়েছে-
شَہۡرُ رَمَضَانَ الَّذِیۡۤ اُنۡزِلَ فِیۡہِ الۡقُرۡاٰنُ ہُدًی لِّلنَّاسِ وَبَیِّنٰتٍ مِّنَ الۡہُدٰی وَالۡفُرۡقَانِ ۚ
রমাদান মাস সেটাই, যার মধ্যে নাযিল করা হয়েছে কুরআন, মানুষের জন্য হিদায়েত এবং সঠিক পথের ও সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারীর সুস্পষ্ট বর্ণনা স্বরূপ।
আয়াত ৪:৮২
اَفَلَا یَتَدَبَّرُوۡنَ الۡقُرۡاٰنَ ۚ وَلَوۡ کَانَ مِنۡ عِنۡدِ غَیۡرِ اللّٰہِ لَوَجَدُوۡا فِیۡہِ اخۡتِلَافًا کَثِیۡرًا
এরপরও তারা কি কুরআন গবেষণা করবে না? আর যদি তা গাইরুল্লাহর কাছে থেকে হতো, অবশ্যই তারা এর মধ্যে অনেক অসঙ্গতি পেত।
আয়াত ৫:১০১
یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا لَا تَسۡـَٔلُوۡا عَنۡ اَشۡیَآءَ اِنۡ تُبۡدَ لَکُمۡ تَسُؤۡکُمۡ وَاِنۡ تَسۡـَٔلُوۡا عَنۡہَا حِیۡنَ یُنَزَّلُ الۡقُرۡاٰنُ تُبۡدَ لَکُمۡ عَفَا اللّٰہُ عَنۡہَا ۗ وَاللّٰہُ غَفُوۡرٌ حَلِیۡمٌ ﴿۱۰۱﴾
ওহে যারা ঈমান এনেছ! তোমরা এমন বিষয়ে প্রশ্ন কোরো না, সেটা যদি
তোমাদের কাছে প্রকাশ পায়, সেটা তোমাদেরকে কষ্ট দিবে। আর যদি কুরআন নাযিলের সময় সে
বিষয়ে তোমরা প্রশ্ন করো, সেটা তোমাদের কাছে প্রকাশ করা হবে। আল্লাহ সেসব থেকে ক্ষমাদান
করেছেন। আর আল্লাহ ক্ষমাশীল, সহনশীল।
আয়াত ৬:১৯
وَأُوحِيَ إِلَيَّ هَٰذَا الْقُرْآنُ لِأُنْذِرَكُمْ بِهِ وَمَنْ بَلَغَ
বলুন! ‘আমার ও তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় সাক্ষী কে?’ বলুন, ‘আল্লাহ!’ আর এই কুরআন আমার প্রতি ওহী করা হয়েছে, যাতে আমি এর মাধ্যমে তোমাদের এবং যাদের কাছে এটি পৌঁছবে তাদের সতর্ক করতে পারি।
আয়াত ৭:২০৪
وَإِذَا قُرِئَ الْقُرْآنُ فَاسْتَمِعُوا لَهُ وَأَنْصِتُوا لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ
আর যখন কুরআন পাঠ করা হয়, তখন তোমরা তা মনোযোগ দিয়ে শোন এবং নীরব থাক, যাতে তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করা হয়।
আয়াত ৯:১১১
وَعْدًا عَلَيْهِ حَقًّا فِي التَّوْرَاةِ وَالْإِنْجِيلِ وَالْقُرْآنِ
“...এটি তাওরাত, ইনজিল ও কুরআনে তাঁর উপর অঙ্গীকারকৃত সত্য প্রতিশ্রুতি...”
আয়াত ১০:১৫
قَالَ الَّذِينَ لَا يَرْجُونَ لِقَاءَنَا ائْتِ بِقُرْآنٍ غَيْرِ هَٰذَا أَوْ بَدِّلْهُ
“...তারা বলে, ‘এটি ছাড়া অন্য কোনো কুরআন নিয়ে আস অথবা এটিকে বদলে দাও।’ বলুন, ‘নিজের পক্ষ থেকে এটিকে বদলানোর অধিকার আমার নেই; আমি কেবল সেই ওহীর অনুসরণ করি যা আমার প্রতি প্রেরিত হয়।’”
আয়াত ১০:৩৭
وَمَا كَانَ هَٰذَا الْقُرْآنُ أَنْ يُفْتَرَىٰ مِنْ دُونِ اللَّهِ
এই কুরআন আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও পক্ষ থেকে রচিত হওয়ার নয়; বরং এটি তার পূর্ববর্তীর সত্যায়ন এবং কিতাবের বিস্তারিত ব্যাখ্যা; এতে কোনো সন্দেহ নেই, এটি বিশ্বজগতের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে।
আয়াত ১০:৬১
وَمَا تَكُونُ فِي شَأْنٍ وَمَا تَتْلُو مِنْهُ مِنْ قُرْآنٍ وَلَا تَعْمَلُونَ مِنْ عَمَلٍ إِلَّا كُنَّا عَلَيْكُمْ شُهُودًا إِذْ تُفِيضُونَ فِيهِ
“...তুমি কুরআন থেকে যা কিছু তিলাওয়াত কর... তোমরা যা কিছু কাজ কর, আমরা তার সাক্ষী থাকি...”
আয়াত ১২:২
إِنَّا أَنْزَلْنَاهُ قُرْآنًا عَرَبِيًّا لَعَلَّكُمْ تَعْقِلُونَ
নিশ্চয়ই আমরা এটিকে আরবি কুরআন হিসেবে নাযিল করেছি, যাতে তোমরা বুঝতে পার।
আয়াত ১২:৩
نَحْنُ نَقُصُّ عَلَيْكَ أَحْسَنَ الْقَصَصِ بِمَا أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ هَٰذَا الْقُرْآنَ
আমি তোমার প্রতি এই কুরআন ওহী করে সর্বোত্তম কাহিনী বর্ণনা করছি...
আয়াত ১৩:৩১
وَلَوْ أَنَّ قُرْآنًا سُيِّرَتْ بِهِ الْجِبَالُ أَوْ قُطِّعَتْ بِهِ الْأَرْضُ
যদি এমন কোনো কুরআন হতো যার দ্বারা পর্বত চলতে শুরু করত, অথবা পৃথিবী বিদীর্ণ হতো, অথবা মৃতদের কথা বলানো যেত...
আয়াত ১৫:১
الر تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ وَقُرْآنٍ مُبِينٍ
এগুলো কিতাবের এবং সুস্পষ্ট কুরআনের আয়াতসমূহ।
আয়াত ১৫:৮৭
وَلَقَدْ آتَيْنَاكَ سَبْعًا مِنَ الْمَثَانِي وَالْقُرْآنَ الْعَظِيمَ
আর অবশ্যই আমি তোমাকে সাতটি বারবার পঠিত আয়াত এবং মহান কুরআন দান করেছি।
আয়াত ১৫:৯১
الَّذِينَ جَعَلُوا الْقُرْآنَ عِضِينَ
“যারা কুরআনকে খণ্ড-বিখণ্ড করেছে।”
আয়াত ১৬:৯৮
فَإِذَا قَرَأْتَ الْقُرْآنَ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
অতএব যখন তুমি কুরআন পাঠ কর, তখন বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা কর।
আয়াত ১৭:৯
إِنَّ هَٰذَا الْقُرْآنَ يَهْدِي لِلَّتِي هِيَ أَقْوَمُ وَيُبَشِّرُ الْمُؤْمِنِينَ
নিশ্চয় এই কুরআন পথ দেখায় সেদিকে যা দৃঢ়তম এবং সেটা মুমিনদেরকে সুসংবাদ দেয় যে, যারা সংশোধনের কাজ করে, তাদের জন্য রয়েছে বিরাট পুরষ্কার।
আয়াত ১৭:৪১
وَلَقَدْ صَرَّفْنَا فِي هَٰذَا الْقُرْآنِ لِيَذَّكَّرُوا وَمَا يَزِيدُهُمْ إِلَّا نُفُورًا
আর অবশ্যই আমি এই কুরআনে নানাভাবে বিষয়গুলো বর্ণনা করেছি, যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।
আয়াত ১৭:৪৫
وَإِذَا قَرَأْتَ الْقُرْآنَ جَعَلْنَا بَيْنَكَ وَبَيْنَ الَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِالْآخِرَةِ حِجَابًا مَسْتُورًا
আর যখন তুমি কুরআন পাঠ কর, তখন তোমার ও আখিরাতে অবিশ্বাসীদের মধ্যে এক অদৃশ্য পর্দা স্থাপন করি।
আয়াত ১৭:৪৬
وَإِذَا ذَكَرْتَ رَبَّكَ فِي الْقُرْآنِ وَحْدَهُ وَلَّوْا عَلَىٰ أَدْبَارِهِمْ نُفُورًا
“...আর যখন তুমি কুরআনে তোমার প্রতিপালকের একত্বের কথা উল্লেখ কর, তখন তারা বিমুখ হয়ে পৃষ্ঠপ্রদর্শন করে।”
আয়াত ১৭:৬০ (2:35)
وَمَا جَعَلْنَا الرُّؤْيَا الَّتِي أَرَيْنَاكَ إِلَّا فِتْنَةً لِلنَّاسِ وَالشَّجَرَةَ الْمَلْعُونَةَ فِي الْقُرْآنِ
“...আর আমি যে বৃক্ষকে কুরআনে অভিশপ্ত বলে উল্লেখ করেছি, তাও মানুষের জন্য পরীক্ষা স্বরূপ করেছি...”
আয়াত ১৭:৭৮
إِنَّ قُرْآنَ الْفَجْرِ كَانَ مَشْهُودًا
“...আর ফজরের কুরআন (তিলাওয়াত); নিশ্চয়ই ফজরের কুরআন উপস্থিতিতে প্রত্যক্ষ করা হয়।” “নিশ্চয়ই ফজরের কুরআন উপস্থিতিতে প্রত্যক্ষ করা হয়।”
আয়াত ১৭:৮২
وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا هُوَ شِفَاءٌ وَرَحْمَةٌ لِلْمُؤْمِنِينَ
“আর আমি কুরআন থেকে যা নাযিল করি তা মুমিনদের জন্য আরোগ্য ও রহমত...”
আয়াত ১৭:৮৮
قُلْ لَئِنِ اجْتَمَعَتِ الْإِنْسُ وَالْجِنُّ عَلَىٰ أَنْ يَأْتُوا بِمِثْلِ هَٰذَا الْقُرْآنِ لَا يَأْتُونَ بِمِثْلِهِ
বলুন! মানুষ ও জিন যদি এ কুরআনের অনুরূপ কিছু আনতে একত্রিত হয়, তবে তারা এর অনুরূপ আনতে পারবে না, যদিও তারা একে অন্যের সহযোগী হয়।
আয়াত ১৭:৮৯
وَلَقَدْ صَرَّفْنَا لِلنَّاسِ فِي هَٰذَا الْقُرْآنِ مِنْ كُلِّ مَثَلٍ
আর অবশ্যই আমি এ কুরআনে মানুষের জন্য সব ধরনের উপমা নানাভাবে বর্ণনা করেছি...
আয়াত ১৭:১০৬
وَقُرْآنًا فَرَقْنَاهُ لِتَقْرَأَهُ عَلَى النَّاسِ عَلَىٰ مُكْثٍ
আর এটি এক কুরআন, যা আমি ভাগ ভাগ করে নাযিল করেছি, যাতে তুমি মানুষের কাছে ধীরে ধীরে তা পাঠ করতে পার।
আয়াত ১৮:৫৪
وَلَقَدْ صَرَّفْنَا فِي هَٰذَا الْقُرْآنِ لِلنَّاسِ مِنْ كُلِّ مَثَلٍ
আর অবশ্যই আমি এই কুরআনে মানুষের জন্য সব ধরনের উপমা নানাভাবে বর্ণনা করেছি...
আয়াত ২০:২
مَا أَنْزَلْنَا عَلَيْكَ الْقُرْآنَ لِتَشْقَىٰ
আমি তোমার প্রতি কুরআন এ জন্য নাযিল করিনি যে তুমি কষ্টে পড়বে।
আয়াত ২০:১১৩
وَكَذَٰلِكَ أَنْزَلْنَاهُ قُرْآنًا عَرَبِيًّا وَصَرَّفْنَا فِيهِ مِنَ الْوَعِيدِ
এভাবেই আমি এটিকে আরবি কুরআন হিসেবে নাযিল করেছি...
আয়াত ২০:১১৪
وَلَا تَعْجَلْ بِالْقُرْآنِ مِنْ قَبْلِ أَنْ يُقْضَىٰ إِلَيْكَ وَحْيُهُ
...আর তোমার প্রতি এর ওহী পূর্ণ হওয়ার আগে কুরআন বিষয়ে তাড়াহুড়া করো না...
আয়াত ২৫:৩০
وَقَالَ الرَّسُولُ يَا رَبِّ إِنَّ قَوْمِي اتَّخَذُوا هَٰذَا الْقُرْآنَ مَهْجُورًا
আর রাসূল বলবেন- ‘হে আমার রব! আমার সম্প্রদায় এই কুরআনকে পরিত্যক্ত করে রেখেছিল।
আয়াত ২৫:৩২
وَقَالَ الَّذِينَ كَفَرُوا لَوْلَا نُزِّلَ عَلَيْهِ الْقُرْآنُ جُمْلَةً وَاحِدَةً
আর কাফিররা বলে- ‘তার ওপর কুরআন একবারে সম্পূর্ণ নাযিল করা হলো না কেন?’...”
আয়াত ২৭:১
طس تِلْكَ آيَاتُ الْقُرْآنِ وَكِتَابٍ مُبِينٍ
এগুলো কুরআন ও সুস্পষ্ট কিতাবের আয়াতসমূহ।
আয়াত ২৭:৬
وَإِنَّكَ لَتُلَقَّى الْقُرْآنَ مِنْ لَدُنْ حَكِيمٍ عَلِيمٍ
আর নিশ্চয়ই তুমি এই কুরআন গ্রহণ করছ প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ সত্তার পক্ষ থেকে।
আয়াত ২৭:৭৬
إِنَّ هَٰذَا الْقُرْآنَ يَقُصُّ عَلَىٰ بَنِي إِسْرَائِيلَ أَكْثَرَ الَّذِي هُمْ فِيهِ يَخْتَلِفُونَ
নিশ্চয়ই এই কুরআন বনী ইসরাঈলের কাছে তাদের অধিকাংশ বিষয়ে বর্ণনা করে, যে বিষয়ে তারা মতভেদ করে।
আয়াত ২৭:৯১-৯২
وَأَنْ أَتْلُوَ الْقُرْآنَ
প্রকৃতপক্ষে আমি আদেশপ্রাপ্ত হয়েছি যে, আমি এই নগরীর রবের ইবাদত করব, যেটিকে তিনি সম্মানিত করেছেন। আর সবকিছু তাঁরই জন্য। আর আমি আদেশপ্রাপ্ত হয়েছি যে, আমি মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত হব।আর আমাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে আমি কুরআন তিলাওয়াত করি...”
আয়াত ২৮:৮৫
إِنَّ الَّذِي فَرَضَ عَلَيْكَ الْقُرْآنَ لَرَادُّكَ إِلَىٰ مَعَادٍ
নিশ্চয়ই যিনি তোমার ওপর এই কুরআন ফরজ (ফারিদা) করেছেন , তিনি অবশ্যই তোমাকে প্রত্যাবর্তনের স্থানে ফিরিয়ে নেবেন।
আয়াত ৩০:৫৮
وَلَقَدْ ضَرَبْنَا لِلنَّاسِ فِي هَٰذَا الْقُرْآنِ مِنْ كُلِّ مَثَلٍ
“আর অবশ্যই আমি এই কুরআনে মানুষের জন্য সব ধরনের উপমা বর্ণনা করেছি...”
আয়াত ৩৪:৩১
وَقَالَ الَّذِينَ كَفَرُوا لَنْ نُؤْمِنَ بِهَٰذَا الْقُرْآنِ وَلَا بِالَّذِي بَيْنَ يَدَيْهِ
আর কাফিররা বলে- ‘আমরা কখনোই এই কুরআনে বিশ্বাস করব না, আর এর পূর্ববর্তী কিতাবসমূহেও নয়।
وَالْقُرْآنِ الْحَكِيمِ
শপথ প্রজ্ঞাময় কুরআনের। আয়াত ৩৬:২
আয়াত ৬৯-৭০
وَمَا عَلَّمْنَاهُ الشِّعْرَ وَمَا يَنْبَغِي لَهُ إِنْ هُوَ إِلَّا ذِكْرٌ وَقُرْآنٌ مُبِينٌ
لِّیُنۡذِرَ مَنۡ کَانَ حَیًّا
“...সেটা উপদেশবাণী ও সুস্পষ্ট কুরআন ছাড়া নয়। যেন সেটা, যে জীবিত রয়েছে তাকে সতর্ক করে...।
আয়াত ৩৮:১
ص وَالْقُرْآنِ ذِي الذِّكْرِ
সাদ। শপথ উপদেশপূর্ণ (যিকির/ধারক স্মরণের) কুরআনের।
আয়াত ৩৯:২৭ (39:1-2)
وَلَقَدْ ضَرَبْنَا لِلنَّاسِ فِي هَٰذَا الْقُرْآنِ مِنْ كُلِّ مَثَلٍ لَعَلَّهُمْ يَتَذَكَّرُونَ
আর অবশ্যই আমি এই কুরআনে মানুষের জন্য সব ধরনের উপমা বর্ণনা করেছি, যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।
আয়াত ৩৯:২৮ (18:1)
قُرْآنًا عَرَبِيًّا غَيْرَ ذِي عِوَجٍ لَعَلَّهُمْ يَتَّقُونَ
আরবি একখানি কুরআন, যাতে কোনো বক্রতা নেই; যাতে তারা তাকওয়া অবলম্বন করে।
আয়াত ৪১:৩
كِتَابٌ فُصِّلَتْ آيَاتُهُ قُرْآنًا عَرَبِيًّا لِقَوْمٍ يَعْلَمُونَ
একখানা কিতাব, যার আয়াতসমূহ বিস্তারিতভাবে বর্ণিত; এক আরবি কুরআন জ্ঞানসম্পন্ন লোকদের জন্য।
আয়াত ৪১:২৬
وَقَالَ الَّذِينَ كَفَرُوا لَا تَسْمَعُوا لِهَٰذَا الْقُرْآنِ
আর কাফিররা বলে- ‘এই কুরআন শুনো না, আর এর পাঠের সময় শোরগোল সৃষ্টি কর, যাতে তোমরা প্রাধান্য লাভ করতে পার।
আয়াত ৪১:৪৪
وَلَوْ جَعَلْنَاهُ قُرْآنًا أَعْجَمِيًّا لَقَالُوا لَوْلَا فُصِّلَتْ آيَاتُهُ
আর যদি আমি এটিকে অনারবি কুরআন করতাম, তবে তারা অবশ্যই বলত, ‘এর আয়াতগুলো স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা হলো না কেন? অনারবি কিতাব আর আরবি ভাষাভাষী রাসূল!’...”
আয়াত ৪২:৭
وَكَذَٰلِكَ أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ قُرْآنًا عَرَبِيًّا لِتُنْذِرَ أُمَّ الْقُرَىٰ
“আর এভাবেই আমি তোমার প্রতি এক আরবি কুরআন ওহী করেছি, যাতে তুমি জনপদসমূহের কেন্দ্র (মক্কা) ও তার চারপাশের লোকদের সতর্ক কর...”
আয়াত ৪৩:৩
إِنَّا جَعَلْنَاهُ قُرْآنًا عَرَبِيًّا لَعَلَّكُمْ تَعْقِلُونَ
শপথ সুস্পষ্ট কিতাবের। নিশ্চয় আমরা একে করেছি আরবি কুরআন, যেন তোমরা বুঝতে পারো। আর নিশ্চয় সেটা আমাদের কাছে মূল গ্রন্থের (উম্মিল কিতাব) মধ্যে রয়েছে, অবশ্যই সুউচ্চ, প্রজ্ঞাপূর্ণ-আয়াত ৪৩:২-৪
আয়াত ৪৩:৩১ (10:58)
وَقَالُوا لَوْلَا نُزِّلَ هَٰذَا الْقُرْآنُ عَلَىٰ رَجُلٍ مِنَ الْقَرْيَتَيْنِ عَظِيمٍ
তারা বলে- ‘এই কুরআন দুই জনপদের কোনো মহান ব্যক্তির ওপর নাযিল করা হলো না কেন?
আয়াত ৪৬:২৯
وَإِذْ صَرَفْنَا إِلَيْكَ نَفَرًا مِنَ الْجِنِّ يَسْتَمِعُونَ الْقُرْآنَ
“...তারা বলল, ‘চুপ করে শোনো।’ অতঃপর যখন কুরআনের তিলাওয়াত শেষ হলো...”
আয়াত ৪৭:২৪
أَفَلَا يَتَدَبَّرُونَ الْقُرْآنَ أَمْ عَلَىٰ قُلُوبٍ أَقْفَالُهَا
তারা কি কুরআন নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করে না? নাকি তাদের অন্তরসমূহে তালা লাগানো আছে?
আয়াত ৫০:১
ق وَالْقُرْآنِ الْمَجِيدِ
ক্বাফ। শপথ মহিমান্বিত কুরআনের।
আয়াত ৫০:৪৫
فَذَكِّرْ بِالْقُرْآنِ مَنْ يَخَافُ وَعِيدِ
...অতএব তুমি এই কুরআনের মাধ্যমে তাকে উপদেশ দাও, যে আমার সতর্কবাণীকে ভয় করে।
আয়াত ৫৪:১৭
وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ
আর অবশ্যই আমি কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি; অতএব কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
আয়াত ৫৪:২২
وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ
আর অবশ্যই আমি কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি; অতএব কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
আয়াত ৫৪:৩২
وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ
আর অবশ্যই আমি কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি; অতএব কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
আয়াত ৫৪:৪০
وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ
আর অবশ্যই আমি কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি; অতএব কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
عَلَّمَ الْقُرْآنَ
তিনি কুরআন শিক্ষা দিয়েছেন-আয়াত ৫৫:২
আয়াত ৫৬:৭৭-৮১
إِنَّهُ لَقُرْآنٌ كَرِيمٌ
“নিশ্চয়ই এটি এক সম্মানিত কুরআন।” সুরক্ষিত লেখ্যপটের মধ্যে। সেটা স্পর্শ করে না, পবিত্ররা ছাড়া; জগতসমূহের রবের পক্ষ থেকে অবতরণ। তবুও কি এ হাদীসের ব্যাপারে তোমরা উপেক্ষাকারী?-৫৬:৭৭-৮১
আয়াত ৫৯:২১
لَوْ أَنْزَلْنَا هَٰذَا الْقُرْآنَ عَلَىٰ جَبَلٍ لَرَأَيْتَهُ خَاشِعًا مُتَصَدِّعًا
যদি আমি এই কুরআন কোনো পর্বতের ওপর নাযিল করতাম, তবে তুমি তাকে আল্লাহর ভয়ে বিনীত ও বিদীর্ণ হতে দেখতে।
আয়াত ৭২:১
فَقَالُوا إِنَّا سَمِعْنَا قُرْآنًا عَجَبًا
বলুন! আমার প্রতি ওহী করা হয়েছে যে, জিনদের একটি দল মনোযোগ দিয়ে শুনেছিল; অতঃপর তারা বলেছিল, ‘নিশ্চয়ই আমরা এক বিস্ময়কর কুরআন শুনেছি।
আয়াত ৭৩:৪
أَوْ زِدْ عَلَيْهِ وَرَتِّلِ الْقُرْآنَ تَرْتِيلًا
“...এবং কুরআন স্পষ্ট ও ধীরস্থিরভাবে তিলাওয়াত কর।”
আয়াত ৭৩:২০
فَاقْرَءُوا مَا تَيَسَّرَ مِنَ الْقُرْآنِ
“...অতএব কুরআন থেকে যতটুকু সহজ হয় ততটুকু পাঠ করো...”
আয়াত ৭৬:২৩
إِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا عَلَيْكَ الْقُرْآنَ تَنْزِيلًا
নিশ্চয়ই আমিই তোমার প্রতি ধাপে ধাপে এই কুরআন নাযিল করেছি।
আয়াত ৮৪:২১
وَإِذَا قُرِئَ عَلَيْهِمُ الْقُرْآنُ لَا يَسْجُدُونَ
আর যখন তাদের কাছে কুরআন পাঠ করা হয়, তখন তারা সিজদা করে না।
আয়াত ৮৫:২১
بَلْ هُوَ قُرْآنٌ مَجِيدٌ
বরং এটি এক মহিমান্বিত কুরআন।
🎬 Video Credit: মূল নির্মাতা (Original Creator)।
ℹ️ শ্রোতাদের অবগতির জন্য:
এই চ্যানেলে প্রকাশিত অডিও ও ভিডিওসমূহ মূলত ইউটিউব কিংবা অন্যান্য উৎস থেকে সংগ্রহকৃত বা ধার করা উপকরণ। এগুলো সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই কন্টেন্টের মাধ্যমে আপনাদের মাঝে শেয়ার করা হচ্ছে।—বিঈযনিল্লাহ!
