বড় গুনাহ বা কাবাইর-গুরুতর গুনাহ কী কী? -আল কুরআনের আলোকে (Kabira Gunah #Major sins-2)

আল কুরআনে “কাবাইর” (الكبائر = বড় পাপ) শব্দটি এসেছে, তবে সব বড় পাপকে এক জায়গায় তালিকাভুক্ত করা হয়নি। বিভিন্ন আয়াতে আল্লাহ যেসব গুনাহকে কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন, শাস্তি, লানত, জাহান্নাম, আল্লাহর গজব বা ক্ষমাহীনতার কথা বলেছেন—সেগুলোকে সামগ্রীক স্টাডি ও অনুধাবনে “কাবাইর” হিসেবে গণ্য করা যায়

কাবাইর সম্পর্কে সামগ্রিক কুরআনি নীতি:

আল্লাহ বলেন:

যদি তোমরা নিষিদ্ধ বড় পাপসমূহ  (কাবাইর) থেকে বেঁচে থাকো, তবে আমি তোমাদের ছোটখাটো গুনাহ (সায়্যিআত) মাফ করে দেব...
— সূরা আন-নিসা ৪:৩১

আরও বলেন:

এবং যারা গুরতর পাপ (কাবাইরাল ইসম) ও অশ্লীলতা পরিহার করে আর যখনই তারা রাগ করে, তারা ক্ষমা করে দেয়” — সূরা আশ-শূরা ৪২:৩৭ 

যারা ছোট পাপ (লামাম) ব্যতীত বড় বড় পাপ (কাবাইরাল ইসম) ও অশ্লীল কাজসমূহ থেকে বিরত থাকে। নিশ্চয় তোমার রব ক্ষমায় উদার।” -সূরা আন-নাজম ৫৩:৩২

তবে যদি তারা বিরত হয়, তাহলে নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু-আয়াত ২:১৯২ (১৬:৯০-৯১)



কুরআনের আলোকে “বড় পাপ” বোঝার লক্ষণ:

যে গুনাহের ক্ষেত্রে কুরআনে — জাহান্নামের শাস্তি, আল্লাহর গজব, লানত,  ক্ষমাহীনতা, যুদ্ধ ঘোষণা, “কবিরা/ ফাহিশা/ফাসাদ” শব্দ, কঠোর হুঁশিয়ারি এসেছে — সেগুলো কাবাইরের অন্তর্ভুক্ত বলে বোঝা যায়!


আল কুরআনে উল্লেখিত বড় পাপসমূহ: গুরুতর গুনাহ-

১. আল্লাহর সাথে শিরক করা (যুক্ত করা/  অংশীবাদ): আল্লাহর সত্তা বা গুণাবলীতে অন্য কাউকে অংশীদার করা বা সমকক্ষ মনে করা। 

ইবাদতে শিরক: দললি: আয়াত ১৭:২৩, ১৮:১১০

অহীর সাথে কিছু যুুক্ত করলে বা শিরক করলে আমল বরবাদ: ৩৯:৬৫, ৬:৮৮, ৬৯:৪৪, ৩:১৫১

“নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে শরিক করাকে ক্ষমা করেন না...” -সূরা আন-নিসা ৪:৪৮, ৪:১১৬

আরও:

সূরা লুকমান ৩১:১৩ → “শিরক বড় জুলুম”

২. ইচ্ছাকৃত হত্যা

— সূরা আন-নিসা ৪:৯৩


৩. যিনা (ব্যভিচার/অশ্লীল যৌনাচার)

— সূরা আল-ইসরা ১৭:৩২

আরও: সূরা আল-ফুরকান ২৫:৬৮


৪. সুদ (রিবা) খাওয়া

— সূরা আল-বাকারা ২:২৭৮–২৭৯


৫. এতিমের সম্পদ আত্মসাৎ

— সূরা আন-নিসা ৪:১০


৬. আল্লাহ ও রাসূলের বিরুদ্ধে মিথ্যা আরোপ / আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা বলা

— সূরা আল-আন‘আম ৬:২১, ৬:৯৩ 

 ➥ আর কে তার চেয়ে বড় জালিম, যাকে তার রবের আয়াতসমূহ দিয়ে উপদেশ দেয়া হয়, এরপরও সে তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়- আয়াত ১৮:৫৭ 


৭. পিতা-মাতার অবাধ্যতা ও অসদাচরণ

— সূরা আল-ইসরা ১৭:২৩

কঠোর নিষেধ: “উফ” পর্যন্ত না বলতে নির্দেশ


৮. নিরপরাধ সতী নারীর বিরুদ্ধে অপবাদ

— সূরা আন-নূর ২৪:২৩


৯. মিথ্যা সাক্ষ্য ও মিথ্যা কথা

— সূরা আল-হাজ্জ ২২:৩০ (২:১০)


১০. চুরি

সূরা আল-মায়িদা ৫:৩৮


১১. ডাকাতি, সন্ত্রাস, জমিনে ফাসাদ

— সূরা আল-মায়িদা ৫:৩৩


১২. জাদু (সিহর)

— সূরা আল-বাকারা ২:১০২


১৩. মদ ও জুয়া

— সূরা আল-মায়িদা ৫:৯০–৯১


১৪. মিথ্যা শপথ ও আমানত খিয়ানত

আয়াত ৩:৭৭, ৮:২৭


১৫. আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া

— সূরা ইউসুফ ১২:৮৭


১৬. আল্লাহর আযাব থেকে নিজেকে নিরাপদ মনে করা

— সূরা আল-আ‘রাফ ৭:৯৯


১৭. অহংকার ও ঔদ্ধত্য

— সূরা আন-নাহল ১৬:২৩
আরও: সূরা লুকমান ৩১:১৮


১৮. ওজনে ও মাপে কম দেওয়া

— সূরা আল-মুতাফফিফীন ৮৩:১–৩


১৯. সমকামিতা 

সূরা আল-আ‘রাফ ৭:৮০–৮১
সূরা আশ-শু‘আরা ২৬:১৬৫–১৬৬


২০. আত্মহত্যা

— সূরা আন-নিসা ৪:২৯


২১. দ্বীনের ব্যাপারে বিদ্রূপ / আল্লাহর আয়াত নিয়ে ঠাট্টা

সূরা আত-তাওবা ৯:৬৫–৬৬

২২. বিচারে অবিচার / আল্লাহর বিধান ছাড়া ফয়সালা

— সূরা আল-মায়িদা ৫:৪৪, ৫:৪৫, ৫:৪৭


২৩. ঘুষ ও অন্যায়ভাবে মানুষের সম্পদ ভক্ষণ

— সূরা আল-বাকারা ২:১৮৮


২৪. বিশ্বাসঘাতকতা

— সূরা আল-আনফাল ৮:২৭


২৫. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা

— সূরা মুহাম্মদ ৪৭:২২–২৩


২৬. নিরপরাধ মানুষকে কষ্ট দেওয়া

— সূরা আল-আহযাব ৩৩:৫৮


২৭. গীবত (পরনিন্দা)

— সূরা আল-হুজুরাত ৪৯:১২


২৮. অপবাদ, কু-ধারণা ও গুপ্তচরবৃত্তি

— সূরা আল-হুজুরাত ৪৯:১২


২৯. অহেতুক ঝগড়া ও বিভেদ সৃষ্টি

— সূরা আল-আনফাল ৮:৪৬


৩০. দ্বীনের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টি

— সূরা আল-আন‘আম ৬:১৫৯


৩১. সালাত সালাত নষ্ট করা

— সূরা মারইয়াম ১৯:৫৯

আরও: সূরা আল-মাউন ১০৭:৪–৫


৩২. যাকাত না দেওয়া / সম্পদ জমিয়ে রাখা

— সূরা আত-তাওবা ৯:৩৪–৩৫


৩৩. আল্লাহর আয়াত গোপন করা

— সূরা আল-বাকারা ২:১৫৯, ২:১৭৪

৩৩:১: আল্লাহর নাযিলকৃত আয়াত ব্যর্থ/বিফল করার চেষ্টা করা

- আয়াত ৩৪:৫  

৩৪. ধর্ম ব্যবসা 

— সূরা আল-বাকারা ২:১৭৪
আরও: সূরা আলে ইমরান ৩:৭৭


৩৫. মুনাফিকি

— সূরা আন-নিসা ৪:১৪৫


৩৬. আল্লাহর মসজিদে বাধা দেওয়া

— সূরা আল-বাকারা ২:১১৪


৩৭. দুনিয়াবি লাভের জন্য দ্বীন ত্যাগ

সূরা আন-নাহল ১৬:১০৬–১০৭


৩৮. হারামকে হালাল ও হালালকে হারাম বলা

— সূরা আন-নাহল ১৬:১১৬


৩৯. আল্লাহর আয়াত অস্বীকার ও উপহাস

সূরা আল-কাহফ ১৮:১০৬
সূরা আল-জাসিয়া ৪৫:৯


৪০. আল্লাহর স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া

— সূরা ত্ব-হা ২০:১২৪


৪১. অন্যের অধিকার নষ্ট করা

— সূরা হুদ ১১:৮৫


৪২. নারীকে উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করা

সূরা আন-নিসা ৪:৭, ৪:১৪


৪৩. স্ত্রীদের সাথে জুলুম ও নির্যাতন

— সূরা আল-বাকারা ২:২৩১


৪৪. অশ্লীলতা ছড়ানো

— সূরা আন-নূর ২৪:১৯


৪৫. তাকাব্বুর করে সত্য প্রত্যাখ্যান

— সূরা আল-আ‘রাফ ৭:৩৬, ৭:৪০


৪৬. আল্লাহর পথে বাধা দেওয়া

— সূরা আল-আ‘রাফ ৭:৪৫
আরও: সূরা ইবরাহিম ১৪:৩


৪৭. ফিতনা সৃষ্টি

“ফিতনা হত্যা থেকেও কঠিন”
— সূরা আল-বাকারা ২:১৯১, ২:২১৭


৪৮. মিথ্যা নবুওয়াত দাবি

“তার চেয়ে বড় জালিম কে, যে বলে—আমার প্রতি ওহি এসেছে...”
— সূরা আল-আন‘আম ৬:৯৩


৪৯. কৃপণতা ও মানুষকে কৃপণতার নির্দেশ

সূরা আন-নিসা ৪:৩৭


৫০. আল্লাহর নেয়ামতের অকৃতজ্ঞতা

সূরা ইবরাহিম ১৪:৭
সূরা আন-নাহল ১৬:১১২


৫১. আল্লাহর নিদর্শন অস্বীকার করা

— সূরা আল-আ‘রাফ ৭:৩৬


৫২. সত্য গোপন করা ও সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশানো

— সূরা আল-বাকারা ২:৪২


৫৩. প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ

— সূরা আল-ইসরা ১৭:৩৪

আরও:  সূরা আন-নাহল ১৬:৯১–৯২


৫৪. আমানত আদায় না করা

— সূরা আন-নিসা ৪:৫৮


৫৫. দুর্বল ও অসহায়দের উপর জুলুম

সূরা আল-ফাজর ৮৯:১৭–২০
সূরা আল-মাউন ১০৭:১–৩


৫৬. দরিদ্রকে খাদ্য না দেওয়া ও উৎসাহ না দেওয়া

— সূরা আল-হাক্কাহ ৬৯:৩৪
আরও: সূরা আল-মাউন ১০৭:৩


৫৭. অপচয় ও অপব্যয়

— সূরা আল-ইসরা ১৭:২৭


৫৮. কৃপণতা

— সূরা আলে ইমরান ৩:১৮০


৫৯. অহংকার করে মানুষের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া

— সূরা লুকমান ৩১:১৮


৬০. পেছনে নিন্দা ও তুচ্ছতাচ্ছিল্য

— সূরা আল-হুমাযাহ ১০৪:১


৬১. উপহাস ও বিদ্রূপ

— সূরা আল-হুজুরাত ৪৯:১১


৬২. খারাপ নামে ডাকা

— সূরা আল-হুজুরাত ৪৯:১১


৬৩. সন্দেহপ্রবণতা ও কু-ধারণা

— সূরা আল-হুজুরাত ৪৯:১২


৬৪. আল্লাহর বিধান থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া

— সূরা ত্ব-হা ২০:১২৪


৬৫. দুনিয়াকে আখিরাতের উপর প্রাধান্য দেওয়া

— সূরা আল-আ‘লা ৮৭:১৬–১৭


৬৬. লোক দেখানো সালাত

— সূরা আল-মাউন ১০৭:৬


৬৭. আল্লাহকে ভুলে যাওয়া

— সূরা আল-হাশর ৫৯:১৯


৬৮. দ্বীনের ব্যাপারে তর্কে অহংকার

— সূরা গাফির ৪০:৫৬


৬৯. বিনা জ্ঞানে আল্লাহ সম্পর্কে কথা বলা

— সূরা আল-বাকারা ২:১৬৯
আরও: সূরা আল-আ‘রাফ ৭:৩৩


৭০. হারাম ভক্ষণ

— সূরা আন-নিসা ৪:২৯


৭১. মুনাফিকদের মতো দ্বিমুখী আচরণ

সূরা আল-বাকারা ২:৮–১৪
সূরা আন-নিসা ৪:১৪২


৭২. আল্লাহর পথে ব্যয় না করা

— সূরা আত-তাওবা ৯:৩৪


৭৩. যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পলায়ন

— সূরা আল-আনফাল ৮:১৫–১৬


৭৪. ঈমানদারদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

সূরা আল-বুরুজ ৮৫:১০


৭৫. অন্যের ঘরে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ

— সূরা আন-নূর ২৪:২৭


৭৬. পর্দাহীন অশ্লীল প্রদর্শন

সূরা আন-নূর ২৪:৩০–৩১
সূরা আল-আহযাব ৩৩:৩৩


৭৭. আল্লাহর নামে মিথ্যা কসম

সূরা আন-নাহল ১৬:৯৪
সূরা আল-মুজাদিলা ৫৮:১৪


৭৮. আল্লাহর দীন নিয়ে খেল-তামাশা

— সূরা আল-আ‘রাফ ৭:৫১


৭৯. কাফিরদের অন্যায়ের পক্ষে সহযোগিতা

সূরা আল-মায়িদা ৫:২


৮০. জুলুমে সহায়তা করা

— সূরা হুদ ১১:১১৩

সূরা আল-আন‘আম ৬:১৫১–১৫৩

এখানে এসেছে:

1. শিরক না করা

2. পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার

3. সন্তান হত্যা না করা

4. অশ্লীলতার কাছে না যাওয়া

5. অন্যায় হত্যা না করা

6. এতিমের সম্পদে অন্যায় না করা

7. মাপে পূর্ণ দেওয়া

8. ন্যায় কথা বলা

9. অঙ্গীকার পূর্ণ করা

সূরা আল-ইসরা ১৭:২২–৩৯

এখানে এসেছে:

1. শিরক

2. পিতা-মাতার অবাধ্যতা

3. অপচয়

4. কৃপণতা

5. সন্তান হত্যা

6. যিনা

7. হত্যা

8. এতিমের সম্পদ

9. প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ

10. অহংকার


৮১. সন্তান হত্যা (দারিদ্র্যের ভয় বা অন্য কারণে)

— সূরা আল-ইসরা ১৭:৩১
আরও: 
সূরা আল-আন‘আম ৬:১৫১


৮২. কন্যাশিশুকে ঘৃণা করা / জীবিত কবর দেওয়া

সূরা আন-নাহল ১৬:৫৮–৫৯
সূরা আত-তাকভীর ৮১:৮–৯


৮৩. ন্যায়বিচারে পক্ষপাত

— সূরা আন-নিসা ৪:১৩৫


৮৪. ঘৃণার কারণে অবিচার

— সূরা আল-মায়িদা ৫:৮


৮৫. আল্লাহর পথে ব্যয় করতে বাধা দেওয়া

সূরা আত-তাওবা ৯:৩৪


৮৬. মানুষের হক নষ্ট করা

— সূরা আশ-শু‘আরা ২৬:১৮৩


৮৭. মাপে ও ওজনে প্রতারণা

সূরা আল-মুতাফফিফীন ৮৩:১–৩


৮৮. যমীনে অহংকারভরে চলাফেরা

— সূরা আল-ইসরা ১৭:৩৭


৮৯. আল্লাহর নেয়ামত অস্বীকার

— সূরা আন-নাহল ১৬:৮৩


৯০. সত্য প্রকাশ পাওয়ার পর তা প্রত্যাখ্যান

সূরা আল-বাকারা ২:৮৯–৯০


৯১. কিতাব বিকৃত করা

— সূরা আল-বাকারা ২:৭৯


৯২. আল্লাহর নামে মিথ্যা ফতোয়া

সূরা আন-নাহল ১৬:১১৬


৯৩. অন্ধ অনুসরণ করে সত্য প্রত্যাখ্যান

— সূরা আল-বাকারা ২:১৭০


৯৪. মুমিনদের নিয়ে ঠাট্টা

সূরা আল-মুতাফফিফীন ৮৩:২৯–৩২


৯৫. কুরআন শুনে অহংকারভরে ফিরে যাওয়া

সূরা লুকমান ৩১:৬–৭


৯৬. আল্লাহর জিকির থেকে মানুষকে বিরত রাখা

সূরা আল-জিন ৭২:১৭
সূরা আল-মায়িদা ৫:৯১


৯৭. প্রকাশ্য অশ্লীলতা

— সূরা আল-আন‘আম ৬:১৫১


৯৮. সীমালঙ্ঘন (তাগুতী আচরণ)

— সূরা আল-বাকারা ২:১৯০


৯৯. অন্যায়ভাবে বিতর্ক

— সূরা আল-হাজ্জ ২২:৩


১০০. দুনিয়ার মোহে প্রতারিত হওয়া

— সূরা ফাতির ৩৫:৫


১০১. আল্লাহর বিধানকে অপছন্দ করা

— সূরা মুহাম্মদ ৪৭:৯


১০২. ঈমান আনার পর কুফরিতে ফিরে যাওয়া

সূরা আলে ইমরান ৩:৮৬–৯১


১০৩. দ্বীনের ব্যাপারে মিথ্যা উদ্ভাবন

সূরা আশ-শূরা ৪২:২১


১০৪. আল্লাহর শত্রুদের প্রতি অন্তরঙ্গ আনুগত্য

সূরা আল-মুমতাহিনা ৬০:১


১০৫. ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

সূরা আলে ইমরান ৩:৭২


১০৬. জাহেলি অহংকার

— সূরা আল-ফাতহ ৪৮:২৬


১০৭. অকারণে হারাম ঘোষণা

সূরা আল-মায়িদা ৫:৮৭


১০৮. আল্লাহর দয়া থেকে মানুষকে নিরাশ করা

সূরা আল-হিজর ১৫:৫৬


১০৯. আল্লাহর নিদর্শন নিয়ে তর্ক ও বিদ্রূপ

সূরা গাফির ৪০:৪


১১০. সত্যকে গোপন করে ক্ষমতা বা লাভ নেওয়া

সূরা আল-বাকারা ২:১৭৪


কুরআনের দৃষ্টিতে কাবাইরের বিস্তৃতি

কুরআনে কাবাইর কেবল ব্যক্তিগত গুনাহ নয়। এতে অন্তর্ভুক্ত:

➥ আকীদাগত অপরাধ (শিরক, কুফরি),

➥ ইবাদতের গাফিলতি,

➥ আর্থিক অপরাধ,

➥ যৌন অপরাধ,

➥ সামাজিক জুলুম,

➥ পারিবারিক অবিচার,

➥ জ্ঞান বিকৃতি,

➥ নৈতিক অবক্ষয়,

➥ ক্ষমতার অপব্যবহার।


গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ

কুরআনে কিছু গুনাহকে বারবার পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে। বিশেষভাবে:

■ শিরক/ য্ক্তু করা

■ জুলুম

■ ফাহিশা

■ মিথ্যা

■ অন্যের হক নষ্ট

■ অহংকার

■ ফাসাদ

এগুলোকে কুরআন অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ হিসেবে উপস্থাপন করে।

১১১. আল্লাহর আয়াত থেকে মানুষকে ফিরিয়ে রাখা

— সূরা আল-আ‘রাফ ৭:৪৫


১১২. ইবাদতে বাধা

— সূরা আল-বাকারা ২:১১৪


১১৩. দ্বীনের ব্যাপারে বিভ্রান্তি সৃষ্টি

সূরা আল-আন‘আম ৬:১৫৯


১১৪. আল্লাহর আয়াতের বিনিময়ে সামান্য মূল্য গ্রহণ

সূরা আত-তাওবা ৯:৯


১১৫. আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার ভঙ্গ

সূরা আর-রা‘দ ১৩:২৫


১১৬. পৃথিবীতে ফাসাদ সৃষ্টি

— সূরা আল-বাকারা ২:১১–১২


১১৭. অহংকারবশত সত্য অস্বীকার

সূরা আল-বাকারা ২:৩৪

১১৮. অন্যকে পথভ্রষ্ট করা

— সূরা আন-নাহল ১৬:২৫


১১৯. আল্লাহর বিধান নিয়ে অসন্তুষ্টি

সূরা আত-তাওবা ৯:৫৮


১২০. দীন নিয়ে বিভ্রান্তিকর কথা ও গান দ্বারা গোমরাহি

সূরা লুকমান ৩১:৬


১২১. জেনে শুনে সত্য প্রত্যাখ্যান

সূরা আল-বাকারা ২:১৪৬


১২২. ঈমানদারদের বিরুদ্ধে শত্রুতা

সূরা আল-মুজাদিলা ৫৮:২২


১২৩. গোপন ষড়যন্ত্র ও পাপের পরামর্শ

— সূরা আন-নিসা ৪:১১৪


১২৪. নেক কাজ থেকে মানুষকে বাধা দেওয়া

সূরা আলে ইমরান ৩:১০৪
(বিপরীত আচরণ নিন্দিত)


১২৫. আল্লাহর বিধানকে তুচ্ছ মনে করা

সূরা আল-জাসিয়া ৪৫:৯


১২৬. পাপকে সুন্দর মনে করা

— সূরা ফাতির ৩৫:৮


১২৭. সীমালঙ্ঘনে জেদ করা

সূরা আল-কিয়ামাহ ৭৫:৫


১২৮. পাপ প্রকাশ্যে করা ও ছড়ানো

সূরা আন-নূর ২৪:১৯


১২৯. অশ্লীল কথাবার্তা ও নির্লজ্জতা

সূরা আল-আহযাব ৩৩:৩২


১৩০. আল্লাহর নিদর্শন নিয়ে হাসি-ঠাট্টা

সূরা আল-জাসিয়া ৪৫:৩৫


১৩১. সত্যকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য বিতর্ক

সূরা গাফির ৪০:৫


১৩২. জুলুম করে ক্ষমতা ভোগ

সূরা আশ-শূরা ৪২:৪২


১৩৩. নির্যাতন ও অত্যাচার

সূরা আল-বুরুজ ৮৫:১০


১৩৪. গোপনে পাপের পরিকল্পনা

সূরা আল-মুজাদিলা ৫৮:৮


১৩৫. ন্যায়ের সাক্ষ্য গোপন করা

— সূরা আল-বাকারা ২:২৮৩


১৩৬. কুরআন পরিত্যাগ

— সূরা আল-ফুরকান ২৫:৩০


১৩৭. আল্লাহর বিধানকে খণ্ডিতভাবে মানা

— সূরা আল-বাকারা ২:৮৫


১৩৮. নিজের প্রবৃত্তিকে উপাস্য বানানো

— সূরা আল-জাসিয়া ৪৫:২৩


১৩৯. হকদারকে হক না দেওয়া

সূরা আর-রূম ৩০:৩৮


১৪০. মানুষকে সৎকাজের নির্দেশ দিয়ে নিজে না মানা

— সূরা আল-বাকারা ২:৪৪


আল কুরআনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য:

আল কুরআনে “বড় পাপ” শুধু আইনি অপরাধ নয়; বরং অন্তরের রোগও বড় গুনাহ হিসেবে এসেছে, যেমন:

■ অহংকার,

■ হিংসা,

■ রিয়া,

■ কু-ধারণা,

■ সত্যবিমুখতা,

■ আল্লাহর উপর মিথ্যা আরোপ,

■ নাযিলকৃত আয়াত বাদ দিয়ে নিজ প্রবৃত্তিপূজা।

অর্থাৎ কুরআনের দৃষ্টিতে কাবাইর = শুধু কাজ নয়, বিশ্বাস, চরিত্র, উদ্দেশ্য ও সামাজিক আচরণও।

১৪১. হিংসা ও বিদ্বেষ

— সূরা আল-ফালাক ১১৩:৫


১৪২. ভাইয়ের ক্ষতি কামনা

সূরা ইউসুফ ১২:৮–১৮


১৪৩. মানুষের দোষ খোঁজা

— সূরা আল-হুমাযাহ ১০৪:১


১৪৪. আল্লাহর নেয়ামত নিয়ে গর্ব

সূরা আল-কাসাস ২৮:৭৬–৮২
(কারূনের ঘটনা)


১৪৫. সম্পদের অহংকার

— সূরা আত-তাকাসুর ১০২:১


১৪৬. অন্যকে তুচ্ছ জ্ঞান করা

সূরা লুকমান ৩১:১৮


১৪৭. সত্য শুনেও মুখ ফিরিয়ে নেওয়া

সূরা আল-কাহফ ১৮:৫৭


১৪৮. আল্লাহর আয়াত ভুলে যাওয়া

— সূরা আল-জাসিয়া ৪৫:৩৪


১৪৯. অন্ধভাবে প্রবৃত্তির অনুসরণ

— সূরা সাদ ৩৮:২৬


১৫০. পাপ কাজে সহযোগিতা

— সূরা আল-মায়িদা ৫:২


১৫১. দ্বীনের জ্ঞান ছাড়া ফতোয়া ও বক্তব্য

সূরা আল-আ‘রাফ ৭:৩৩


১৫২. আল্লাহর নামে এমন কিছু বলা যা তিনি বলেননি

সূরা আশ-শূরা ৪২:২১


১৫৩. আল্লাহর রাসূলদের মধ্যে বিভেদ করা

— সূরা আন-নিসা ৪:১৫০–১৫১


১৫৪. ঈমানদারদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা

সূরা আল-আহযাব ৩৩:৫৮


১৫৫. আল্লাহর বিধান শুনে বিরক্ত হওয়া

সূরা মুহাম্মদ ৪৭:২৬–২৮


১৫৬. জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও গোমরাহ হওয়া

সূরা আল-জুমুআহ ৬২:৫


১৫৭. সত্যকে বিকৃত ব্যাখ্যা করা

সূরা আলে ইমরান ৩:৭৮


১৫৮. নেক আমল নষ্ট করে দেওয়া

— সূরা আল-বাকারা ২:২৬৪


১৫৯. দান করে খোঁটা দেওয়া

সূরা আল-বাকারা ২:২৬৪


১৬০. গোপনে পাপ ছড়ানো

সূরা আন-নিসা ৪:১৪৮


১৬১. আল্লাহর শাস্তিকে তুচ্ছ ভাবা

সূরা আল-মা‘আরিজ ৭০:১–৭


১৬২. নেককারদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

সূরা নূহ ৭১:২২


১৬৩. মানুষের ইবাদত বা আনুগত্য নিজের জন্য দাবি করা

সূরা আলে ইমরান ৩:৭৯


১৬৪. আল্লাহর পথে ব্যয়কে অপছন্দ করা

সূরা আত-তাওবা ৯:৫৪


১৬৫. মুমিনদের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠান গড়া

সূরা আত-তাওবা ৯:১০৭
(মসজিদে দিরার)


১৬৬. গোপনে শত্রুতাপূর্ণ জোট

সূরা আল-মুজাদিলা ৫৮:১৪


১৬৭. পাপের উপর অটল থাকা

— সূরা আলে ইমরান ৩:১৩৫
(বিপরীত আচরণ নিন্দিত)


১৬৮. আল্লাহর নিদর্শনকে অস্বীকার করে অহংকার করা

সূরা আল-জাসিয়া ৪৫:৮


১৬৯. আখিরাত অস্বীকার

সূরা আন-নাহল ১৬:২২


১৭০. জেনে শুনে কুফরি

সূরা আল-বাকারা ২:১০৮–১০৯


আল কুরআনের আলোকে “কাবাইর” কয়েকটি মৌলিক অক্ষে ঘোরে:

১. আকীদাগত বড় পাপ

■ শিরক/অংশ বা যুক্ত করা

■ কুফরি

■ নিফাক

■ আখিরাত অস্বীকার

■ আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা

২. ইবাদতসংক্রান্ত বড় পাপ

■ সালাত নষ্ট করা

■ যাকাত না দেওয়া

■ রিয়া

■ দ্বীন পরিত্যাগ

৩. মানবাধিকার লঙ্ঘন

■ হত্যা

■ জুলুম

■ এতিমের সম্পদ খাওয়া

■ প্রতারণা

■ অপবাদ

■ অবিচার

৪. নৈতিক পাপ ও যৌন অপরাধ

■ যিনা

■ অশ্লীলতা

■ সমকামিতা

■ গীবত

■ অহংকার

■  মিথ্যা

■  বিশ্বাসঘাতকতা

৫. সামাজিক ফাসাদ

■ বিভেদ সৃষ্টি

■ ফিতনা

■ আল্লাহর পথে বাধা

■ মিথ্যা প্রচার

■ ফাসাদ

অর্থাৎ, কুরআনের দৃষ্টিতে কাবাইর শুধু “কিছু হারাম কাজ” নয়; বরং এমন সব বিশ্বাস, আচরণ ও অপরাধ যা:

➥ আল্লাহর হক নষ্ট করে,

➥ মানুষের হক নষ্ট করে,

➥ সমাজে ফাসাদ সৃষ্টি করে,

➥ অথবা হৃদয়কে সত্য থেকে বিচ্যুত করে।

১৭১. আল্লাহর ইবাদত থেকে মানুষকে সরানো

— সূরা আল-আনফাল ৮:৩৪


১৭২. আল্লাহর ঘর (মসজিদ) আবাদে বাধা

সূরা আল-বাকারা ২:১১৪


১৭৩. নেককারদের উপহাস

— সূরা আল-মুতাফফিফীন ৮৩:২৯


১৭৪. গুনাহ করে নিরাপদ বোধ করা

সূরা আল-আ‘রাফ ৭:৯৯


১৭৫. পাপের পর তওবা না করা

সূরা আলে ইমরান ৩:১৩৫


১৭৬. দ্বীনের জ্ঞান গোপন করা

সূরা আল-বাকারা ২:১৫৯


১৭৭. মানুষের মধ্যে অন্যায় শ্রেষ্ঠত্ব দাবি

সূরা আন-নাজম ৫৩:৩২


১৭৮. নিজেকে পবিত্র দাবি করা

— সূরা আন-নাজম ৫৩:৩২


১৭৯. আল্লাহর বান্দাদের তুচ্ছ করা

সূরা হুদ ১১:৩১


১৮০. গরিবকে অবজ্ঞা

সূরা আবাসা ৮০:১–১০


১৮১. সত্য জানার পর হঠকারিতা

সূরা আল-বাকারা ২:২০৬


১৮২. আল্লাহর স্মরণে বিরক্তি

— সূরা আয-যুমার ৩৯:৪৫


১৮৩. হারাম উপার্জন

সূরা আল-মায়িদা ৫:৬২–৬৩


১৮৪. অন্যকে পাপের নির্দেশ দেওয়া

সূরা আল-বাকারা ২:১৬৯


১৮৫. অন্যকে সৎপথ থেকে সরানো

সূরা ইবরাহিম ১৪:৩


১৮৬. গোপনে ষড়যন্ত্রমূলক বৈঠক

সূরা আল-মুজাদিলা ৫৮:৯


১৮৭. অন্যায়ের পক্ষে তর্ক করা

— সূরা আন-নিসা ৪:১০৭


১৮৮. আল্লাহর বিধানকে কম মূল্য দেওয়া

সূরা আল-বাকারা ২:৪১


১৮৯. সত্যকে অবজ্ঞা

সূরা আল-আহকাফ ৪৬:৭


১৯০. মুমিনদের ক্ষতি করতে চাওয়া

সূরা আল-আহযাব ৩৩:৫৮


১৯১. আল্লাহর পথে কষ্ট দেওয়া

সূরা আত-তাওবা ৯:৭৯


১৯২. ইচ্ছাকৃতভাবে মানুষকে বিভ্রান্ত করা

সূরা আন-নিসা ৪:৬০


১৯৩. নেককারদের বিরুদ্ধে অপবাদ

সূরা আন-নূর ২৪:২৩


১৯৪. দুনিয়ার স্বার্থে সত্য গোপন

সূরা আল-বাকারা ২:১৭৪


১৯৫. আল্লাহর বিধানকে বিকৃত করা

সূরা আল-মায়িদা ৫:১৩


১৯৬. মানুষের মাঝে অশান্তি লাগানো

সূরা আল-বাকারা ২:২০৪–২০৫


১৯৭. ক্ষমতা পেয়ে ফাসাদ সৃষ্টি

সূরা আল-কাসাস ২৮:৪


১৯৮. পাপীকে সমর্থন করা

সূরা আল-মায়িদা ৫:২


১৯৯. আল্লাহর দ্বীন থেকে বিমুখতা

সূরা আস-সাজদাহ ৩২:২২


২০০. আল্লাহর আয়াত শুনে ঔদ্ধত্য দেখানো

— সূরা লুকমান ৩১:৭


আল কুরআনে “আল্লাহর বিধান/হুকুম/আইন” (حُكْم) সম্পর্কে বহু আয়াত আছে। কিছু আয়াতে স্পষ্ট বলা হয়েছে—হুকুম একমাত্র আল্লাহর। আর কিছু আয়াতে আল্লাহ ছাড়া অন্যকে আইনদাতা/হালাল-হারামের নির্ধারক মানাকে শিরকের সাথে যুক্ত করা হয়েছে। 

তবে কুরআনে “শিরক” শব্দটি প্রত্যেক ক্ষেত্রে একই মাত্রায় ব্যবহার হয়নি। কোথাও স্পষ্ট শিরক, কোথাও কুফর, কোথাও জুলুম, কোথাও ফিসক বলা হয়েছে। তাই প্রত্যেক আয়াত তার প্রসঙ্গসহ বুঝতে হয়। (অতএব এসব অমান্য করা বড় গুনাহ!) 

201. হুকুম একমাত্র আল্লাহর (তাঁর হুকুমে/ ইবাদতে কাউকে যুক্ত করতে এখতিয়ার দেন না):

-আয়াত ১২:৪০, ১২:৬৭, ২৮:৭০, ৫:৫০, ৬:৫৭, ১৮:২৬, ১৮:১১০)

202. আল্লাহ যা নাযিল করেছেন তা ছাড়া বিচার করা

-আয়াত ৫:৪৪, ৫:৪৫, ৫:৪৭

203. আল্লাহর বিধানের বিপরীতে প্রবৃত্তির অনুসরণ

-আয়াত ৫:৪৮

204. আল্লাহ ছাড়া আইনদাতা/বিধানদাতা গ্রহণ

-আয়াত ৯:৩১ 

205. আল্লাহর বিধান ছেড়ে অন্য বিধান চাওয়া

-আয়াত ৪২:১০ (৪:৬৫)

206. আল্লাহর অনুমতি ছাড়া শরিয়ত বানানো

-আয়াত ৪২:২১

207. হালাল-হারাম নির্ধারণে মিথ্যা বলা

-আয়াত ১৬:১১৬

208. আল্লাহ ছাড়া অনুসৃত বিধানকে ইবাদতের পর্যায়ে নেওয়া

-আয়াত ৪৫:২৩

209. আল্লাহর আয়াত ছেড়ে অন্য ফয়সালা চাওয়া:

-আয়াত ৬:১১৪

210. তাগূতের বিচার চাওয়া

-আয়াত ৪:৬০

211. আল্লাহ ছাড়া অনুসৃত বিধানকে ইলাহ বানানো

-আয়াত ২৫:৪৩

212. আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান গোপন করা

-আয়াত ২:১৭৪

213. আল্লাহর বিধান বিকৃত করা

-আয়াত ৫:১৩

214. আল্লাহর বিধানের উপর অসন্তোষ

-আয়াত ৪৭:৯

215. আল্লাহর অনুমতি ছাড়া হালাল-হারাম নির্ধারণ

-আয়াত ১০:৫৯

216. আল্লাহর শরিয়তের বিপরীতে জাহেলি শাসন

-আয়াত ৫:৫০

217. আল্লাহর বিধান থেকে বিমুখ হওয়া

-আয়াত ৩২:২২

218. রাসূলের সিদ্ধান্ত অমান্য

-আয়াত ৩৩:৩৬

219. আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান অনুসরণ

-আয়াত ৭:৩

220. আল্লাহর আয়াতের বিপরীতে মনগড়া বিধান

-আয়াত ৯:৩৭

221. আল্লাহর বিধানের উপর অন্যের মতামতকে অগ্রাধিকার

-আয়াত ৪৯:১

222. আল্লাহর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপত্তি

-আয়াত ২৪:৪৮–৫০

এ কারণেই কুরআনে “কাবাইর” ধারণাটি অত্যন্ত বিস্তৃত ও গভীর।

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post