"আর অবশ্যই পরবর্তীটা তোমার জন্য পূর্ববর্তীর চেয়ে উত্তম।" (আয়াত ৯৩:৪)
(এই আয়াতের মূল সম্বোধন রাসূল (সা.) হলেও, এর মধ্যে মুমিনের জন্যও আশা, সান্ত্বনা এবং আল্লাহর প্রতি দৃঢ় আস্থার শিক্ষা রয়েছে। দ্রষ্টব্য: ২:২৮৫।)
তাহলে সেভাবে যাচ্ছে না কেন?
এর কারণ কি এই যে, আমি আল্লাহর একমাত্র নাযিলকৃত অহী—একমাত্র হুদা—অনুসরণের আন্তরিক চেষ্টা করছি না?
হ্যাঁ। কারণ আল্লাহ সু.তা.শুরুতেই জানিয়ে দিয়েছেন সবাইকে—
"অতঃপর যখন আমার পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে হিদায়াত আসবে, তখন যারা আমার হিদায়াত অনুসরণ করবে, তাদের কোনো ভয় থাকবে না এবং তারা দুঃখিতও হবে না।" (আয়াত ২:৩৮)
আর সূরা আদ-দুহায় তিনি বলেন—
"তিনি আপনাকে পথ সম্পর্কে অনবহিত অবস্থায় পেয়েছিলেন (দলালা), অতঃপর পথনির্দেশনা দিয়েছেন -৯৩:৭ (হুদা তথা আল কুরআন: দ্র: আয়াত ২৭:৬, ৬:১৯)
তাহলে সালামুন আলা মুহাম্মদ (সা:) অনুসরনে জীবনের এই গ্রেস টাইমে আমাদের কাজ কী?
শুধুমাত্র—এবং কেবলমাত্র—রবের দেওয়া নিয়ামতের কথা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
আর তোমার রবের নিয়ামতের কথা বর্ণনা কর। (আয়াত ৯৩:১১)
[কুরআনের আলোকে 'নিয়ামত' বলতে আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ দ্বীনব্যবস্থাকেই বোঝানো হয়েছে- (দ্রষ্টব্য: ৫:৩) যা আছে একমাত্র আল কুরআনে ]
আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল আলামীন! আমি অনুভব করি, একমাত্র অহীর অনুশীলনের মাধ্যমে আমার রব আমাকে আমার পূর্বের জীবনের তুলনায় দিন দিন আরও ভালো রাখছেন।
আপনিও কি তাই?
(প্রিয় পাঠক, এই অনুধ্যানটি সূরা আদ-দুহা অবলম্বনে)
দুআ: দুনিয়া ও আখিরাতে ভালো রাখুন আমাদের রব!
রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাতাঁও, ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতাঁও, ওয়া ক্বিনা আযাবান্নার।
অর্থ: হে আমাদের রব! আমাদেরকে দুনিয়ায় কল্যাণ দান করুন, আখিরাতেও কল্যাণ দান করুন এবং আমাদেরকে আগুনের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন। -আল কুরআন, ২:২০১
