ভোটে বা নির্বাচনে নিজে অসফল হলে কিংবা আপনার ‘সমর্থিত প্রার্থী’ বিজয়ী না হলে—একজন আয়াতে বিশ্বাসী মুমিন-মুসলিমের করণীয় কী? (vote-seletion-support-election)

ভোটে বা নির্বাচনে নিজে অসফল হলে কিংবা আপনার ‘সমর্থিত প্রার্থী’ বিজয়ী না হলে—এটি একটি মানসিক চাপ ও মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষা। কুরআনের পরিভাষায় ক্ষমতা বা কর্তৃত্ব (Mulk) এবং শাসনভার পাওয়া বা না পাওয়া সম্পূর্ণ আল্লাহর বিশেষ পরিকল্পনার (Qadr) অংশ।

আল-কুরআন ‘তাদাব্বুর’ (গভীর অনুধাবন) -এর আলোকে এই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য সুনির্দিষ্ট আয়াত ও দুআ নিচে বিশ্লেষণসহ তুলে ধরা হলো:

১. ক্ষমতার প্রকৃত উৎসের প্রতি আত্মসমর্পণ (মালিকাল মুলক-এর দর্শন):

নির্বাচনে জয়-পরাজয় মূলত ক্ষমতার হাতবদল। কুরআনের দর্শন হলো—ভোট বা সমর্থন বাহ্যিক মাধ্যম মাত্র, কিন্তু রাজত্ব বা ক্ষমতা দানকারী একমাত্র আল্লাহ। যখন ফলাফল বিপক্ষে যায়, তখন এই আয়াতটি পাঠ করলে অন্তরে প্রশান্তি আসে এবং আল্লাহর ফয়সালার প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস স্থাপিত হয়।

 আয়াত-যিকির-তাসবিহ:

قُلِ اللَّهُمَّ مَالِكَ الْمُلْكِ تُؤْتِي الْمُلْكَ مَن تَشَاءُ وَتَنزِعُ الْمُلْكَ مِمَّن تَشَاءُ وَتُعِزُّ مَن تَشَاءُ وَتُذِلُّ مَن تَشَاءُ ۖ بِيَدِكَ الْخَيْرُ ۖ إِنَّكَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

(ক্বুলিল্লাহুম্মা মালিকাল মুলকি, তু’তিল মুলকা মান তাশাউ, ওয়া তানযিউল মুলকা মিম্মান তাশাউ; ওয়া তু’ইজ্জু মান তাশাউ, ওয়া তুযিল্লু মান তাশাউ; বিইয়াদিকাল খাইর; ইন্নাকা আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদির)

অর্থ: বলো! রাজত্বের অধিকারী হে আল্লাহ! আপনি যাকে চান, রাজত্ব দেন এবং যার থেকে চান আপনি রাজত্ব ছিনিয়ে নেন। আর যাকে চান আপনি সম্মানিত করেন এবং যাকে চান আপনি অপমানিত করেন। আপনার হাতেই কল্যাণ। নিশ্চয় আপনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান। [সূরা আলে-ইমরান ৩:২৬]

➤ অনুধাবন (তাদাব্বুর)এই আয়াতে আল্লাহ ‘খাইর’ (কল্যাণ) শব্দটি ব্যবহার করেছেন। অর্থাৎ, ক্ষমতা পাওয়া যেমন কল্যাণ হতে পারে, ক্ষমতা না পাওয়া বা কেড়ে নেওয়াও আল্লাহর জ্ঞানে সেই বান্দার জন্য ‘কল্যাণ’ হতে পারে।

হয়তো বিজয়ী হলে অহংকার আসত কিংবা এমন কোনো জুলুম হয়ে যেত যার হিসাব পরকালে দেওয়া কঠিন হতো। তাই ভোটে না জেতা বা ক্ষমতা হাতছাড়া হওয়াকে আল্লাহর ‘রক্ষণাবেক্ষণ’ হিসেবে মেনে নেওয়াই কুরআনিক শিক্ষা।

তাওয়াক্কুল ও তকদিরের ওপর সন্তুষ্টি:

সবশেষে, মুমিন হিসেবে ঘোষণা দিতে হবে যে, আল্লাহর লিখন ছাড়া আমাদের কিছুই হবে না। এটিই মনের সবচাইতে বড় প্রশান্তি।

 আয়াত:

বলো! আল্লাহ আমাদের জন্য যা লিখে রেখেছেন সেটা ছাড়া আমাদের কাছে কখনও পৌঁছবে না। তিনি আমাদের অভিভাবক। তবে যেন মুমিনরা আল্লাহর ওপরই নির্ভর করে-আয়াত ৯:৫১

২. বাহ্যিক পরাজয়ের মধ্যে ‘গোপন কল্যাণ’ অনুসন্ধান:

মানুষ হিসেবে আমরা ভবিষ্যৎ জানি না। নির্বাচনে হেরে যাওয়াটা আপাতদৃষ্টিতে খারাপ লাগলেও, এর ভেতরেই হয়তো বড় কোনো কল্যাণ নিহিত আছে।

অনেক সময় আমরা মনে করি, ‘অমুক প্রার্থী’ জিতলে বা ‘আমি’ জিতলে দেশের/দশের ভালো হতো। কিন্তু ফলাফল উল্টো হলে আমরা হতাশ হই। এই হতাশা কাটাতে আল্লাহ একটি মনস্তাত্ত্বিক মূলনীতি শিখিয়েছেন।

আয়াত:  আর হতে পারে কোনো বিষয় তোমরা অপছন্দ করছ (পরাজয়), অথচ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর। আর হতে পারে কোনো বিষয় তোমরা পছন্দ করছ (বিজয়), অথচ তা তোমাদের জন্য অকল্যাণকর। বস্তুত আল্লাহই জানেন, তোমরা জানো না। [সূরা আল-বাকারা ২:২১৬]

কুরআনি লিঙ্ক (Cross-referencing)/ অনুধাবন (তাদাব্বুর):

সূরা আল-কাহফে সালামুন আলা মুসা ও আল্লাহ প্রদত্ত বিশেষ জ্ঞানপ্রাপ্ত এক বান্দা (খিজির) ঘটনায় দেখা যায়, বাহ্যিক দৃষ্টিতে যা ক্ষতি (নৌকা ছিদ্র করা) মনে হয়েছিল, তা আসলে ছিল বড় ক্ষতি (রাজার দখল) থেকে বাঁচার উপায়। ঠিক তেমনি, ভোটে পরাজয় বাহ্যিকভাবে খারাপ মনে হলেও, কুরআনের আলোকে তা ভবিষ্যতে বড় কোনো ফিতনা থেকে বাঁচার উপায় হতে পারে। 

(দ্র: আয়াত ১৮:৭১, ১৮:৭৯)


৩. বিকল্প ও উত্তম কিছুর প্রত্যাশায় দুআ (আসহাবুল জান্নাহ-এর দুআ-Substitute):

যদি নির্বাচনে হেরে যান, তবে হতাশ না হয়ে আল্লাহর কাছে এর চেয়ে উত্তম কিছুর আবদার করুন। তা হতে পারে দুনিয়ার অন্য কোনো সম্মান অথবা আখিরাতের মর্যাদা।

সূরা আল-ক্বালামে একদল বাগান মালিকের ঘটনা আছে, যারা তাদের ফসল বা সম্পদ হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গিয়েছিল (এক ধরণের পরাজয়)। তখন তারা ভুল বুঝতে পেরে একটি দুআ করেছিল, যা হারানো পদ বা বিজয়ের পরিবর্তে উত্তম কিছু পাওয়ার জন্য খুবই কার্যকর।

عَسَىٰ رَبُّنَا أَن يُبْدِلَنَا خَيْرًا مِّنْهَا إِنَّا إِلَىٰ رَبِّنَا رَاغِبُونَ
(উচ্চারণ: আসা রাব্বুনা আঁই ইউবদিলানা খাইরাম মিনহা, ইন্না ইলা রাব্বিনা রাগিবুন)

অর্থ: আশা করা যায় আমাদের রব আমাদেরকে এর চেয়েও উত্তম বিনিময় দান করবেন; আমরা আমাদের রবের প্রতিই ধাবিত হলাম। [সূরা আল-ক্বালাম ৬৮:৩২]

প্রয়োগ: ভোটে হেরে গেলে বা সমর্থিত প্রার্থী পরাজিত হলে এই দুআটি বেশি বেশি পাঠ করুন। এর অর্থ—আল্লাহ যেন এই দুনিয়াবী পদের পরিবর্তে দুনিয়া বা আখিরাতে এর চেয়ে সম্মানজনক কোনো অবস্থানে আপনাকে বা আপনার দলকে আসীন করেন।

৪. বিরোধী পক্ষের অনিষ্ট থেকে বাঁচার সাহায্য কামনায় দুআ:

যদি এমন হয় যে, আপনার অপছন্দনীয় বা বিরোধী প্রার্থী জিতে গেছে এবং আপনি আশঙ্কা করছেন যে তারা বিজয়ী হয়ে জুলুম বা ফিতনা সৃষ্টি করবে, তখন সালামুন আলা মুসা ও তাঁর সঙ্গীদের এই দুআটি পাঠ করা অপরিহার্য।

تَوَكَّلْنَا رَبَّنَا لَا تَجْعَلْنَا فِتْنَةً لِّلْقَوْمِ الظَّالِمِينَ  وَنَجِّنَا بِرَحْمَتِكَ مِنَ الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ

আলা-ল্লাহি তাওয়াক্কালনা। রব্বানা লা- তাজ‘আলনা ফিতনাতাল্ লিল্ ক্বওমিয্ যালিমীন। ওয়া নাজ্জিনা বিরাহমাতিকা মিনাল্ ক্বওমিল্ কাফিরীন

অর্থ: আমরা আল্লাহ্‌র উপরই নির্ভর করলাম। হে আমাদের রব! আপনি আমাদেরকে জালিম জনগোষ্ঠীর জন্য পরীক্ষার বস্তু বানাবেন না।  আর আমাদেরকে আপনার রহমতের মাধ্যমে কাফির জনগোষ্ঠী থেকে মুক্তি দিন- আল-কুরআন: ইউনুস, আয়াত ১০:৮৫-৮৬

 অনুধাবন (তাদাব্বুর):  এখানে ‘ফিতনা’ মানে হলো— জালেমরা যেন আমাদের ওপর বিজয় লাভ করে এটা মনে না করে যে ‘তারাই সত্যের ওপর আছে’। বিরোধী পক্ষের বিজয় যেন আমাদের ঈমানের পরীক্ষার কারণ না হয়, তার জন্য এই দুআ।

৫. সিদ্ধান্ত আল্লাহর ওপর ছেড়ে দেওয়া (তাওয়াক্কুল):

ভোটে হার-জিতের পর ফলাফল নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা না করে বিষয়টি আল্লাহর ওপর ছেড়ে দেওয়ার জন্য সূরা হুদ-এর এই অংশটি তিলাওয়াত করা উচিত।

আসমান ও জমিনের অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান একমাত্র আল্লাহরই এবং তাঁর কাছেই সব বিষয় প্রত্যাবর্তিত হবে। কাজেই আপনি তাঁর ইবাদত করুন এবং তাঁর ওপরই ভরসা করুন।” [সূরা হুদ ১১:১২৩]

➤ দুশ্চিন্তা ও সংকট থেকে মুক্তির কুরআনিক দুআ/তাসবিহ:

কোনো কাজে ব্যর্থ হলে বা ভুল সিদ্ধান্তের কারণে বিপদে পড়লে, হতাশা গ্রাস করে। এই ‘হতাশার অন্ধকার’ থেকে বের হওয়ার জন্য আল-কুরআনের সবচাইতে পরীক্ষিত আমল হলো ‘আয়াতে কারিমা’।

لَّا إِلَٰهَ إِلَّا أُنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ

(উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জঅলিমীন)

অর্থ: আপনি ছাড়া ইলাহ নেই, আপনি অপবিত্রতামুক্ত! নিশ্চয়ই আমি, আমিই হলাম জালিমদের  অর্ন্তভুক্ত- আল কুরআন ২১:৮৭  [সূরা আল-আম্বিয়া ২১:৮৭]

➤ তাদাব্বুর ও কুরআনি লিঙ্কসালামুন আলা ইউনুস মাছের পেটের অন্ধকারের মধ্যে এই দুআ করেছিলেন। এখানে ‘ব্যর্থতা’ বা ‘বিপদ’ থেকে মুক্তির সূত্র হলো— নিজের ভুল স্বীকার করা।

ঠিক পরের আয়াতেই আল্লাহ একটি সর্বজনীন নিয়ম (Universal Law) ঘোষণা করেছেন: “তখন আমরা তার জন্য সাড়া দিয়েছিলাম এবং আমরা তাকে দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দিয়েছিলাম। আর ওভাবেই আমরা মুমিনদের মুক্তি দিই।” [সূরা আল-আম্বিয়া ২১:৮৮]।

লক্ষ্যণীয় শব্দ হলো ‘এভাবেই’ (Wa kadhalika)— অর্থাৎ, কিয়ামত পর্যন্ত যে মুমিন ব্যর্থতা বা সংকটে পড়ে এই ভাষায় আল্লাহকে ডাকবে, আল্লাহ তাকেও একইভাবে উদ্ধার করবেন। এটি কেবল সালামুন আলা ইউনুস-এর জন্য খাস নয়।

6. ভয় ও শত্রুর মোকাবিলায় প্রশান্তির বাক্য (কুরআনিক যিকির): হাসবুনাল্লাহ!

পরাজয় বা অসফলতার পরে মানুষ মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং ভবিষ্যতের ভয় পায়। ওহুদ যুদ্ধের সাময়িক বিপর্যয়ের পর সাহাবিদের যখন ভয় দেখানো হচ্ছিল, তখন তারা যে বাক্যটি উচ্চারণ করেছিলেন, তা কুরআনে শাশ্বত হয়ে আছে।

حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ

(উচ্চারণ: হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি’মাল ওয়াকিল) ।  

অর্থ: “আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না উত্তম (ওয়াকিল) মধ্যস্থতাকারী।” [সূরা আলে-ইমরান ৩:১৭৩]

ফলাফল: এই আয়াতটির সংযোগ পরবর্তী আয়াতের সাথে অত্যন্ত গভীর। যারা পরাজয়ের গ্লানি বা ভয়ের মুখে এই বাক্যটি ধারণ করেছে, তাদের পরিণাম সম্পর্কে আল্লাহ বলেন: “অতঃপর তারা আল্লাহর নিয়ামত ও অনুগ্রহসহ ফিরে এল, কোনো অনিষ্ট তাদেরকে স্পর্শ করল না...” [সূরা আলে-ইমরান ৩:১৭৪]।

এখানে শব্দগত সামঞ্জস্যতা হলো: ‘হাসবুনাল্লাহ’ (আল্লাহ যথেষ্ট) বলার সাথে সাথে পরিস্থিতির মোড় ঘুরে যায় ‘ফাদল’ (অনুগ্রহ) এবং ‘নিয়ামত’-এর দিকে।

৪. ফলাফল আল্লাহর ওপর ন্যস্ত করা (তাফভিদ): মুমিন বান্দার দুআ:

যখন সব চেষ্টা করেও ফলাফল নিজের পক্ষে আসে না, তখন বিষয়টি আল্লাহর ওপর ছেড়ে দেওয়াই হলো কুরআনিক সমাধান। একে বলা হয় ‘তাফভিদ’ বা সমর্পণ।

وَأُفَوِّضُ أَمْرِي إِلَى اللَّهِ ۚ إِنَّ اللَّهَ بَصِيرٌ بِالْعِبَادِ

(উচ্চারণ: ওয়া উফাওয়িদু আমরি ইলাল্লাহ, ইন্নাল্লাহা বাসিরুম বিল ইবাদ)

অর্থ: আমি আমার বিষয়টি আল্লাহর ওপর ন্যস্ত করছি; নিশ্চয়ই আল্লাহ বান্দাদের ব্যাপারে সম্যক দ্রষ্টা। [সূরা গাফির/মুমিন ৪০:৪৪]

নিরাপত্তা আনে/এলাকার মানুষের জন্য আল্লাহর বিশেষ রহমত ও ক্ষমা প্রার্থনায় :

رَّبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ وَأَنتَ خَيْرُ الرَّاحِمِينَ

রব্বিগ-ফির ওয়ারহাম ওয়া আনতা খয়রুর-রা-হিমীন।

অর্থ: হে আমার রব! ক্ষমা করুন ও রহম করুন; আর আপনিই সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু। (আয়াত: 23:118)

সারসংক্ষেপ: ভোটে পরাজয়ের পর করণীয় আমল:

কুরআনের সামগ্রিক শিক্ষা হলো, ক্ষমতা বা পদমর্যাদা মুমিনের চূড়ান্ত লক্ষ্য নয়। তাই ভোটে না জিতলে বা সমর্থিত প্রার্থী হারলে ক্রমানুসারে এই আমলগুলো করা উচিত:

১. শোক না করা: যা হাতছাড়া হয়ে গেছে (বিজয়/পদ), তার জন্য অতিরিক্ত আক্ষেপ না করা। কারণ কুরআনে বলা হয়েছে: “যাতে তোমরা যা হারিয়েছ তার জন্য দুঃখ না করো...” [সূরা আল-হাদিদ ৫৭:২৩]।

2. মেনে নেওয়া: সূরা আলে-ইমরানের ২৬ নং আয়াত (মালিকাল মুলক) পাঠ করে মনকে বোঝানো যে, আল্লাহ এই মুহূর্তে ক্ষমতা তাকেই দিয়েছেন, এটাই তকদির।

২. কল্যাণ কামনা: সূরা বাকারার ২১৬ নং আয়াতের মর্মানুযায়ী বিশ্বাস রাখা যে, এই পরাজয়ে নিশ্চয়ই কোনো গোপন কল্যাণ আছে।

৩. বিকল্প চাওয়া: সূরা আল-ক্বালামের ৩২ নং আয়াত পাঠ করে আল্লাহর কাছে এর চেয়ে উত্তম কিছুর (ইজ্জত বা আখিরাতের মাকাম) আশা করা।

৪. নিরাপত্তা চাওয়া: সূরা ইউনুসের ৮৫-৮৬ নং আয়াত পাঠ করে বিজয়ী পক্ষের সম্ভাব্য অনিষ্ট থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাওয়া।

5. আল্লাহর পরিকল্পনা মেনে নেওয়া: বিশ্বাস রাখা যে, এই ফলাফলের মধ্যেই আমার ইহকাল বা পরকালের কোনো না কোনো মঙ্গল আছে, যা এখন আমি বুঝতে পারছি না।

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post