সালামুন আলা মুহাম্মদ (সা:) ‘বিশ্বনবী’ নাকি ‘বিশ্বরাসূল’ ‘নবী’ ও ‘রাসূল’ এর পার্থক্য! World Messenger: Prophet & Rasul

বিশ্বজগতের জন্য আল কোরআন এবং সালামুন আলা মুহাম্মদ (সা:) সমগ্র বিশ্ববাসীর রাসূল: 

আল কুরআন মাজীদ কোনো নির্দিষ্ট ভৌগলিক সীমানা, গোত্র বা নির্দিষ্ট কালের জন্য অবতীর্ণ হয়নি; বরং এটি আল্লাহ রব্বুল আলামিন-এর পক্ষ থেকে সমগ্র মানবজাতির জন্য প্রেরিত এক শাশ্বত ও পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। একইভাবে, এই ঐশী গ্রন্থ যাঁর ওপর অবতীর্ণ হয়েছে, সেই সালামুন আলা মুহাম্মদ কোনো নির্দিষ্ট কওম বা জাতির জন্য নয়, বরং সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য রাসূল হিসেবে প্রেরিত হয়েছেন।

আল কোরআনের আয়াতগুলোকে একত্রিত করলে একটি চমৎকার আধ্যাত্মিক ও যৌক্তিক ত্রিভুজ তৈরি হয়:

১. প্রেরক: রব্বুল আলামিন (১:২)

২. প্রেরিত গ্রন্থ: জিকরুল লিল আলামিন (৮১:২৭) (2:185)

৩. প্রেরিত রাসূল: রহমাতাল লিল আলামিন (২১:১০৭) (34:28, 7:158, 14:1) 

4. বিশ্বরাসূল (World Messenger): 7:158, 21:107 

5. বিশ্ব (জগৎসমূহের) সবার জন্য আল-কোরআন যা ফুরকান -২:১৮৫, ২৫:১ (14:1)

এই তিনটি ‘আলামিন’ শব্দের নিখুঁত গাঁথুনি প্রমাণ করে যে, ইসলামের দাওয়াত কোনো সংকীর্ণ গণ্ডিতে আবদ্ধ নয়।

সালামুন আলা মুহাম্মদ: ‘বিশ্বনবী’ নাকি ‘বিশ্বরাসূল’—আল কুরআনের আলোকে শব্দগত বিশ্লেষণ:

আল কুরআন মাজীদ এমন একটি নিখুঁত ঐশী গ্রন্থ, যার প্রতিটি শব্দের চয়ন, বিন্যাস (নজম) এবং প্রয়োগ অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট ও উদ্দেশ্যমূলক। আল্লাহ রব্বুল আলামিন যখন কোনো শব্দ ব্যবহার করেন, তখন তার অভ্যন্তরীণ অর্থ এবং প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ বিজ্ঞানময় ও যৌক্তিক হয়। প্রচলিত সমাজে সালামুন আলা মুহাম্মদ-কে ‘বিশ্বনবী’ হিসেবে আখ্যায়িত করা সর্বাধিক প্রচলিত। কিন্তু আল কুরআনের “তাফসিরুল কুরআন বিল কুরআন” নীতি এবং এর অভ্যন্তরীণ শব্দগত গাঁথুনি বিশ্লেষণ করলে একটি অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও গভীর অনুধ্যানমূলক চিত্র ফুটে ওঠে।

প্রচলিত ধারণার বাইরে গিয়ে, কেবলমাত্র আল কুরআন মাজীদের আয়াতগুলোর পারস্পরিক সামঞ্জস্যের ভিত্তিতে ‘নবী’ ও ‘রাসূল’ শব্দের প্রয়োগ এবং বিশ্বজনীনতার (Global scope) সাথে এই শব্দগুলোর সম্পর্ক নিচে উপস্থাপন করা হলো।

♢ ‘নবী’ ও ‘রাসূল’ এর পার্থক্য:

আল কুরআনে আল্লাহ রব্বুল আলামিন ‘নবী’ (نَبِيّ) এবং ‘রাসূল’ (رَسُول) শব্দ দুটি ভিন্ন ভিন্ন অর্থে ও প্রেক্ষাপটে ব্যবহার করেছেন।

■ নবী (نَبِيّ): এই শব্দটি আরবি ‘নাবা’ (نَبَأ) মূলধাতু থেকে এসেছে, যার অর্থ ‘অদৃশ্য বা গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ’। সুতরাং, ‘নবী’ হলেন সেই সত্তা, যিনি আল্লাহ সু.তা.-এর কাছ থেকে ওহী বা ঐশী সংবাদ প্রাপ্ত হন। এটি তাঁর ব্যক্তিগত মর্যাদা এবং স্রষ্টার সাথে তাঁর সরাসরি সংযোগের (Receiving end) পরিচায়ক।

■ রাসূল (رَسُول): এই শব্দটি আরবি ‘রিসালাত’ (رِسَالَة) থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ ‘বার্তা পৌঁছানো’ বা ‘প্রেরিত হওয়া’। যখন কোনো ঐশী বার্তা বা কিতাব দিয়ে কাউকে কোনো নির্দিষ্ট কওম বা সমগ্র মানবজাতির কাছে ‘প্রেরণ’ (ارسال) করা হয়, তখন তাঁর পরিচয় হয় ‘রাসূল’ বা বাণীবাহক। এটি হলো মানুষের সাথে তাঁর সংযোগের (delivering end) বা কর্মক্ষেত্রের পরিচায়ক।

♢ বিশ্ব বা সমগ্র মানবজাতির সাথে আল কুরআনের সংযোগ:

যখনই আল কুরআন মাজীদে সালামুন আলা মুহাম্মদ (সা:)-এর কর্মক্ষেত্র বা তাঁকে যাদের কাছে পাঠানো হয়েছে (অডিয়েন্স) তাদের প্রসঙ্গ এসেছে, আল্লাহ রব্বুল আলামিন অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ‘প্রেরণ করা’ (আরসালা) ক্রিয়াপদ এবং এর সাথে সম্পৃক্ত শব্দ ব্যবহার করেছেন।

আমি তো আপনাকে সমগ্র মানবজাতির জন্য (কাফফাতাল লিন-নাস) সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে প্রেরণ করেছি (আরসালনাকা); কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা জানে না। (৩৪:২৮)

 বলুন! ‘হে মানবজাতি! নিশ্চয়ই আমি তোমাদের সবার প্রতি আল্লাহর রাসূল (রসূ্লুল্লাহি ইলাইকুম জামিআ)...’। (৭:১৫৮)

 আমি তো আপনাকে বিশ্বজগতের জন্য (লিল আলামিন) কেবল রহমতরূপেই প্রেরণ করেছি (আরসালনাকা)। (২১:১০৭)

লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো, উপরের আয়াতগুলোতে সমগ্র বিশ্ব বা মানবজাতির (আলামিন/ নাস) কথা যখন এসেছে, তখন আল্লাহ সু.তা. ‘প্রেরণ করা’ বা ‘রাসূল’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন। কারণ, মানুষের কাছে বাণী পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্বটি ‘রিসালাত’-এর অংশ। তাই আল কুরআনের ব্যাকরণ ও নজম অনুযায়ী সমগ্র বিশ্বের প্রেক্ষাপটে তাঁর পরিচয় হলো ‘রাসূল’।

♢‘নবী’ শব্দের প্রয়োগ ও আধ্যাত্মিক (metaphysical) সামঞ্জস্য:

তাহলে আল কুরআন মাজীদে ‘নবী’ শব্দটি সালামুন আলা মুহাম্মদ-এর ক্ষেত্রে কীভাবে ব্যবহৃত হয়েছে? আল্লাহ সু.তা. তাঁর নবুওয়ত বা ঐশী সংবাদ প্রাপ্তির দরজাটি চিরতরে বন্ধ করার ঘোষণা দিতে গিয়ে ‘নবী’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন।

“মুহাম্মদ তোমাদের কোনো পুরুষের পিতা নন; বরং তিনি আল্লাহর রাসূল এবং শেষ নবী (খাতামান নাবিয়্যিন)। আর আল্লাহ সর্ববিষয়ে সম্যক জ্ঞাত।” (৩৩:৪০)

বিপরীতমুখী চিত্র (Contrasting View):

এই (৩৩:৪০) আয়াতে আল্লাহ রব্বুল আলামিন অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে দুটি পরিচয় একসাথে তুলে ধরেছেন। যখন বলা হচ্ছে তিনি “আল্লাহর রাসূল”, তখন এর অন্তর্নিহিত ইঙ্গিত (implied evidence) হলো—তাঁর রিসালাত বা বার্তা সমগ্র বিশ্বের কাছে চলমান থাকবে। কিন্তু যখন বলা হচ্ছে “খাতামান নাবিয়্যিন” (নবীগণের সিলমোহর বা শেষ), তখন এর অর্থ হলো—আকাশ থেকে নতুন কোনো ‘নাবা’ বা সংবাদ আর পৃথিবীতে আসবে না। সংবাদ আসার দরজা বন্ধ, কিন্তু প্রাপ্ত সংবাদ (আল কুরআন) বিশ্ববাসীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার যে মিশন (রিসালাত), তা কিয়ামত পর্যন্ত শাশ্বত।

বিশ্বনবী নাকি বিশ্বরাসূল: কোনটি অধিকতর সঠিক?

আল কুরআনের শব্দগত সামঞ্জস্যতা এবং অভ্যন্তরীণ কাঠামোর আলোকে বিচার করলে—

১. বিশ্বনবী (World Prophet): ধারণা হিসেবে এটি তেমন ভুল নয়, কারণ তাঁর নবুওয়তের প্রভাব সারা বিশ্বে। কিন্তু শব্দগতভাবে আল কুরআনে কোথাও “সমগ্র মানবজাতির নবী” এই বাক্যাংশটি প্রত্যক্ষভাবে ব্যবহৃত হয়নি।

২. বিশ্বরাসূল (World Messenger): আল কুরআনের পরিভাষায় এটি সবচেয়ে নিখুঁত ও সঠিক। কারণ, আল্লাহ রব্বুল আলামিন সরাসরি ঘোষণা দিয়েছেন যে, তিনি তাঁকে সমগ্র মানবজাতির জন্য (৭:১৫৮) এবং বিশ্বজগতের জন্য (২১:১০৭) ‘রাসূল’ বা প্রেরিত পুরুষ হিসেবে পাঠিয়েছেন।

অতএব, আল কুরআনের নিজস্ব শব্দবিন্যাস ও পরিভাষা অনুযায়ী সালামুন আলা মুহাম্মদ-কে “সমগ্র মানবজাতির রাসূল” বা “বিশ্বরাসূল” বলাটাই কুরআনিক বয়ানের সাথে শতভাগ সামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি হলেন সৃষ্টিজগতের প্রতি আল্লাহর সর্বশেষ ‘রিসালাত’-এর বাহক, যাঁর মাধ্যমে আল কুরআন মাজীদ সমগ্র বিশ্বের জন্য ‘হুদাল লিন-নাস’ (মানবজাতির জন্য দিশারী) হিসেবে অবতীর্ণ হয়েছে।

✧ ✧ ✧ ✧ ✧ ✧

 সালামুন আলা মুহাম্মদ: সমগ্র বিশ্ববাসীর রাসূল:

আল কোরআন যখন সমগ্র বিশ্বের জন্য, তখন এই গ্রন্থের বাহকও সমগ্র বিশ্বের জন্যই প্রেরিত হবেন—এটাই স্রষ্টার যৌক্তিক বিন্যাস (নজম)। আল কুরআন মাজীদে সালামুন আলা মুহাম্মদ-এর رسالت (রিসালাত বা বাণীবাহক সত্তা)-কে সমগ্র মানবতার সাথে যুক্ত করা হয়েছে।

➥ আমি তো আপনাকে সমগ্র মানবজাতির জন্য (কাফফাতাল লিন-নাস) সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে প্রেরণ করেছি; কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা জানে না। (৩৪:২৮)

➥ বলুন, ‘হে মানবজাতি (ইয়া আইয়্যুহান নাস)! নিশ্চয়ই আমি তোমাদের সবার প্রতি আল্লাহর রাসূল হিসেবে প্রেরিত হয়েছি...’। (৭:১৫৮)

➥ আমি তো আপনাকে বিশ্বজগতের জন্য কেবল রহমতরূপেই (রহমাতাল লিল আলামিন) প্রেরণ করেছি।” (২১:১০৭)

✧ ✧ ✧ ✧

রাসূলের প্রতি ঈমান ও সাক্ষ্য প্রদানের দুআ: (তবে লক্ষ্যনীয়,  ‘নবী’ শব্দটি এখানে ব্যবহ্নত হয়নি হয়েছে ‘রাসুল’ শব্দটি):

আল্লাহ রব্বুল আলামিন-এর প্রেরিত রাসূলের প্রতি ঈমান আনয়ন সংক্রান্ত কুরআনি দুআটি দেখুন-

رَبَّنَا آمَنَّا بِمَا أَنزَلْتَ وَاتَّبَعْنَا الرَّسُولَ فَاكْتُبْنَا مَعَ الشَّاهِدِينَ

রব্বানা- আ-মান্না- বিমা- আংযালতা ওয়াত্তাবা‘নার রসূ-লা ফাকতুবনা- মা‘আশ শা-হিদী-ন।

অর্থ: হে আমাদের রব! আপনি যা অবতীর্ণ করেছেন আমরা তার ওপর ঈমান এনেছি এবং আমরা রাসূলের অনুসরণ করেছি। সুতরাং আপনি আমাদেরকে সাক্ষ্যদানকারীদের তালিকাভুক্ত করে নিন। (৩:৫৩)

رَبَّنَا وَاٰتِنَا مَا وَعَدۡتَّنَا عَلٰی رُسُلِکَ وَلَا تُخۡزِنَا یَوۡمَ الۡقِیٰمَۃِ ۖ اِنَّکَ لَا تُخۡلِفُ الۡمِیۡعَادَ 

রাব্বানা ওয়া আতিনা মা ওয়া'আত্তানা 'আলা রুসুলিকা ওয়ালা তুখজিনা ইয়াওমাল ক্বিয়ামাহ, ইন্নাকা লা তুখলিফুল মী'আদ।

অর্থ: হে আমাদের রব! আপনার রাসূলগণের মাধ্যমে আমাদের যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তা আমাদের দান করুন এবং কিয়ামতের দিন আমাদের লাঞ্ছিত করবেন না। নিশ্চয়ই আপনি প্রতিশ্রুতির ব্যতিক্রম করেন না। (সূরা আলে ইমরান ৩:১৯৪)

(অতএব, তোমরা ঈমান আনো আল্লাহর ও তাঁর রসূলের প্রতি; উম্মি নবী, যে আল্লাহর ও তাঁর বাণীসমূহের প্রতি ঈমান রাখে। আর তোমরা তার অনুসরণ করো, যেন তোমরা হিদায়েতপ্রাপ্ত হও-আয়াত ৭:১৫৮)

✧ ✧ ✧ ✧ ✧ ✧

আরও সংশ্লিষ্ট দুআ-তাসবিহসমূহ:

 ১. হেদায়েত বা সরল পথের ওপর অটল থাকার দুআ:

رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً ۚ إِنَّكَ أَنتَ الْوَهَّابُ

রব্বানা- লা-তুযিগ কুলূবানা- বা‘দা ইয হাদাইতানা- ওয়া হাব লানা- মিল্লাদুনকা রহমাহ, ইন্নাকা আংতাল ওয়াহহা-ব।

অর্থ: হে আমাদের রব! আপনি আমাদেরকে হেদায়াত দান করার পর আমাদের অন্তরসমূহকে বক্র করে দেবেন না এবং আপনার পক্ষ থেকে আমাদেরকে রহমত দান করুন। নিশ্চয়ই আপনি মহাদাতা। (৩:৮)

২. আল্লাহর রহমত ও সঠিক পথ পাওয়ার দুআ:

رَبَّنَا آتِنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً وَهَيِّئْ لَنَا مِنْ أَمْرِنَا رَشَدًا

রব্বানা- আ-তিনা- মিল্লাদুনকা রহমাতাওঁ ওয়া হাইয়্যি’ লানা- মিন আমরিনা- রশাদা-।

অর্থ: “হে আমাদের রব! আপনার পক্ষ থেকে আমাদেরকে রহমত দান করুন এবং আমাদের জন্য আমাদের কাজ সঠিকভাবে পূর্ণ করার ব্যবস্থা করে দিন।” (১৮:১০)

৩. জ্ঞান বৃদ্ধির ঐশী দুআ (কুরআনের গভীর অনুধ্যানের জন্য):

رَّبِّ زِدْنِي عِلْمًا

উচ্চারণ: রব্বি যিদনী ‘ইলমা-।  অর্থ: হে আমার রব! আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করে দিন। (২০:১১৪)

আল্লাহর বাণী ও রাসূলের আনুগত্যের ঘোষণামূলক দুআ:

سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا ۖ غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ

উচ্চারণ: সামি‘না- ওয়া আত্বা‘না- গুফরা-নাকা রব্বানা- ওয়া ইলাইকাল মাসী-র।

অর্থ: আমরা শুনলাম এবং আনুগত্য করলাম। হে আমাদের রব! আমরা আপনার ক্ষমা প্রার্থনা করি, আর আপনার দিকেই চূড়ান্ত প্রত্যাবর্তন। (২:২৮৫)

৩. সত্যকে গ্রহণ করার পর অন্তরকে স্থির রাখার তাসবিহ-দুআ:

رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً ۚ إِنَّكَ أَنتَ الْوَهَّابُ

রব্বানা- লা-তুযিগ কুলূবানা- বা‘দা ইয হাদাইতানা- ওয়া হাব লানা- মিল্লাদুনকা রহমাহ, ইন্নাকা আংতাল ওয়াহহা-ব।

অর্থ: হে আমাদের রব! আপনি আমাদেরকে হেদায়াত দান করার পর আমাদের অন্তরসমূহকে বক্র করে দেবেন না এবং আপনার পক্ষ থেকে আমাদেরকে রহমত দান করুন। নিশ্চয়ই আপনি মহাদাতা (৩:৮)

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post