আল-কুরআনে জিহাদ মানে কেবল যুদ্ধ নয়; বরং আল্লাহর পথে সর্বাত্মক চেষ্টা—আত্মসংযম, সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ, সম্পদ ব্যয়, ধৈর্য ইত্যাদি।
কুরআনের জিহাদ শব্দটি প্রায় সর্বত্র আল্লাহর পথে প্রচেষ্টা ও সংগ্রাম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
➢ কখনও এটি আত্মসংযম ও নৈতিক সংগ্রাম, ➢ কখনও দাওয়াহ ও সত্য প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা,➢ কখনও প্রতিরক্ষামূলক যুদ্ধ,
এর মূল লক্ষ্য সর্বদা ন্যায় ও আল্লাহর সন্তুষ্টি।
“অতএব, তুমি কাফিরদের অনুসরণ কোরো না এবং সেটা দ্বারা (কুরআন) তাদের সাথে সংগ্রাম করো, কঠোর সংগ্রাম (জিহাদান কাবীরা)” সূরা আল-ফুরকান (২৫:৫২)
এই আয়াতে “জিহাদান কাবীরা” বলতে বোঝানো হয়েছে কুরআনের মাধ্যমে সংগ্রাম করা—অর্থাৎ:
■ সত্যের দাওয়াত দেওয়া ■যুক্তি ও প্রমাণ দিয়ে মানুষকে বোঝানো ■মিথ্যা ও বিভ্রান্তির জবাব দেওয়া ■কুরআনের শিক্ষা প্রচার করা
কেন এটাকে “বড় জিহাদ” বলা হয়েছে?
কারণ এই সংগ্রাম—
➥ জ্ঞান ও ধৈর্যের মাধ্যমে হয়
➥ দীর্ঘ সময় ধরে চলে
➥ মানুষের চিন্তা-চেতনা পরিবর্তন করার চেষ্টা করে
অর্থাৎ কলম, জ্ঞান, দাওয়াত ও কুরআনের শিক্ষা দিয়ে সত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা—এটিই এখানে “জিহাদান কাবীরা” বলা হয়েছে।
সূরা আল-ফুরকান ২৫:৫২ অনুযায়ী কুরআনের মাধ্যমে সত্য প্রচার ও মিথ্যার বিরুদ্ধে যুক্তি দিয়ে সংগ্রাম করাই “বড় জিহাদ (জিহাদান কাবীরা)”।
“জিহাদ” সম্পর্কিত কুরআনের আয়াত: নিচে কুরআনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আয়াত দেওয়া হলো যেখানে জিহাদ (সংগ্রাম/চেষ্টা) প্রসঙ্গ এসেছে—
1) কুরআন ২২:৭৮: “আর তোমরা আল্লাহর পথে যথার্থ জিহাদ কর…”
এখানে জিহাদ বলতে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা—আত্মসংযম, নৈতিকতা, প্রয়োজন হলে প্রতিরক্ষা—সবই বোঝায়।
2) কুরআন ২৯:৬৯: “যারা আমার পথে সংগ্রাম করে, আমি অবশ্যই তাদেরকে আমার পথসমূহে পরিচালিত করব…”
এ আয়াতে জিহাদকে আল্লাহর পথে আন্তরিক চেষ্টা ও আত্মশুদ্ধির সাথে যুক্ত করা হয়েছে।
3) কুরআন ২:১৯০: “তোমরা আল্লাহর পথে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কর যারা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে, কিন্তু সীমালঙ্ঘন করো না…”
এখানে স্পষ্ট করা হয়েছে—যুদ্ধ কেবল প্রতিরক্ষামূলক এবং সীমালঙ্ঘন নিষিদ্ধ।
4) কুরআন ২৫:৫২: “…এবং এর (কুরআনের) মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে বড় জিহাদ কর।”
এখানে ‘বড় জিহাদ’ বলতে কুরআনের দাওয়াহ, যুক্তি ও নৈতিক শক্তি দিয়ে সংগ্রাম বোঝানো হয়েছে।
5) কুরআন ৯:৪১: “তোমরা বের হয়ে পড়—হালকা বা ভারী অবস্থায়; এবং আল্লাহর পথে তোমাদের সম্পদ ও প্রাণ দিয়ে জিহাদ কর।”
এখানে সম্পদ ও জীবন দিয়ে আন্তরিক প্রচেষ্টার কথা বলা হয়েছে।
6) কুরআন ৯:২০ “যারা ঈমান এনেছে, হিজরত করেছে এবং আল্লাহর পথে তাদের সম্পদ ও জীবন দিয়ে জিহাদ করেছে—তাদের মর্যাদা আল্লাহর কাছে অনেক বড়।”
ঈমান, হিজরত ও জিহাদের পারস্পরিক সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে।
7) কুরআন ৪:৯৫ “মুমিনদের মধ্যে যারা (অজুহাত ছাড়া) বসে থাকে এবং যারা আল্লাহর পথে সম্পদ ও জীবন দিয়ে জিহাদ করে—তারা সমান নয়।”
সক্রিয় প্রচেষ্টাকারীদের উচ্চ মর্যাদা বোঝানো হয়েছে।
8) কুরআন ৮:৭২ “যারা ঈমান এনেছে, হিজরত করেছে এবং আল্লাহর পথে জিহাদ করেছে… তারা পরস্পরের অভিভাবক।”
এখানে কুরআন অনুযায়ী মুসলিম সমাজের পারস্পরিক সহযোগিতা ও দায়িত্বের দিকটি এসেছে।
9) কুরআন ৬১:১১ “তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনবে এবং আল্লাহর পথে তোমাদের সম্পদ ও জীবন দিয়ে জিহাদ করবে…”
এটিকে সফলতার পথ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
10) কুরআন ১৬:১১০ “অতঃপর যারা নির্যাতিত হওয়ার পর হিজরত করেছে, তারপর জিহাদ করেছে এবং ধৈর্য ধারণ করেছে—তোমার প্রতিপালক তাদের প্রতি অবশ্যই ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।”
এখানে জিহাদকে নির্যাতনের প্রেক্ষাপটে ধৈর্য ও ত্যাগের সাথে যুক্ত করা হয়েছে।
11. কুরআন ২৯:৬৯ “যারা আমার পথে সংগ্রাম করে, আমি অবশ্যই তাদেরকে আমার পথসমূহে পরিচালিত করব…”
12. কুরআন ২:১৯০ “তোমরা আল্লাহর পথে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কর যারা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে, কিন্তু সীমালঙ্ঘন করো না…”
কুরআনে জিহাদ মানে কেবল যুদ্ধ নয়; বরং আল্লাহর পথে সর্বাত্মক চেষ্টা—আত্মসংযম, সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ, সম্পদ ব্যয়, ধৈর্য ইত্যাদি।
আরও কিছু আয়াত: যেখানে জিহাদ/আল্লাহর পথে সংগ্রাম প্রসঙ্গ এসেছে-
১) কুরআন ৫:৩৫ “হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর, তাঁর নৈকট্য লাভের উপায় অন্বেষণ কর এবং তাঁর পথে জিহাদ কর, যাতে তোমরা সফল হও।”
এখানে সফলতার জন্য তাকওয়া ও প্রচেষ্টার কথা বলা হয়েছে।
২) কুরআন ৮:৩৯ “তোমরা তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কর যতক্ষণ না ফিতনা দূর হয় এবং দ্বীন সম্পূর্ণরূপে আল্লাহর জন্য হয়…”
এ আয়াত ঐতিহাসিক যুদ্ধ-প্রেক্ষাপটে নাযিল; উদ্দেশ্য ছিল নিপীড়ন বন্ধ করা।
৩) কুরআন ৯:১৯ “তোমরা কি হাজীদের পান করানো ও মসজিদুল হারাম আবাদ করাকে তার সমান গণ্য কর যে আল্লাহ ও পরকালে ঈমান আনে এবং আল্লাহর পথে জিহাদ করে?”
এখানে ঈমান ও জিহাদের মর্যাদা তুলনা করা হয়েছে।
৪) কুরআন ৬৬:৯ (সূরা আত-তাহরীম) “হে নবী! আপনি কাফির ও মুনাফিকদের বিরুদ্ধে জিহাদ করুন এবং তাদের প্রতি কঠোর হোন…”
এখানে দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে; এতে দাওয়াহ, নীতি ও প্রয়োজনে প্রতিরক্ষা অন্তর্ভুক্ত।
৫) কুরআন ২:২১৮ “যারা ঈমান এনেছে, হিজরত করেছে এবং আল্লাহর পথে জিহাদ করেছে—তারা আল্লাহর রহমতের আশা রাখে।”
জিহাদকে আল্লাহর রহমতের সাথে যুক্ত করা হয়েছে।
৬) কুরআন ৩:১৪২ “তোমরা কি মনে কর জান্নাতে প্রবেশ করবে অথচ আল্লাহ এখনো প্রকাশ করেননি তোমাদের মধ্যে কারা জিহাদ করেছে ও ধৈর্য ধরেছে?”
এখানে পরীক্ষা, ধৈর্য ও সংগ্রামের বিষয়টি এসেছে।
আরও কিছু আয়াত: যেখানে জিহাদ/কিতাল (প্রতিরক্ষামূলক যুদ্ধ) প্রসঙ্গ এসেছে-
১) কুরআন ২২:৩৯–৪০ (সূরা আল-হাজ্জ) “যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা হচ্ছে তাদেরকে (যুদ্ধের) অনুমতি দেওয়া হলো, কারণ তাদের উপর জুলুম করা হয়েছে…”
এখানে প্রথমবার নির্যাতনের প্রেক্ষাপটে প্রতিরক্ষামূলক যুদ্ধের অনুমতির কথা বলা হয়েছে।
২) কুরআন ৬০:৮ “যারা তোমাদের সাথে ধর্মের কারণে যুদ্ধ করেনি এবং তোমাদেরকে দেশ থেকে বের করে দেয়নি—তাদের প্রতি ন্যায় ও সদাচরণ করতে আল্লাহ তোমাদের নিষেধ করেন না।”
এ আয়াত শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নীতি তুলে ধরে।
৩) কুরআন ৪৭:৩১ (সূরা মুহাম্মদ) “আমি অবশ্যই তোমাদের পরীক্ষা করব, যাতে প্রকাশ পায় কারা তোমাদের মধ্যে জিহাদ করে ও ধৈর্য ধারণ করে…”
এখানে জিহাদকে ঈমানের পরীক্ষার অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
৪) কুরআন ৪:৭৪: “অতএব যারা পার্থিব জীবনকে আখিরাতের বিনিময়ে বিক্রি করে, তারা আল্লাহর পথে যুদ্ধ করুক…”
এ আয়াতও যুদ্ধ-প্রেক্ষাপটে নাযিল, আত্মত্যাগের মানসিকতা বোঝায়।
৫) কুরআন ৯:৭৩: “হে নবী! কাফির ও মুনাফিকদের বিরুদ্ধে জিহাদ করুন এবং তাদের প্রতি কঠোর হোন…”
এখানে নবী (সা.)-কে দৃঢ় অবস্থান নিতে বলা হয়েছে—যা দাওয়াহ, নৈতিক সংগ্রাম ও প্রয়োজনে প্রতিরক্ষা অন্তর্ভুক্ত করে।
৬) কুরআন ৮:৬০: “তোমরা তাদের বিরুদ্ধে যতটুকু সম্ভব শক্তি ও অশ্ববাহিনী প্রস্তুত রাখ…”
এটি প্রতিরক্ষামূলক প্রস্তুতির নির্দেশ হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়।
7) কুরআন ৯:২৪ (সূরা আত-তাওবা): “বলুন, যদি তোমাদের পিতা, সন্তান, ভাই, স্ত্রী, আত্মীয়-স্বজন, অর্জিত সম্পদ… আল্লাহ, তাঁর রাসূল ও তাঁর পথে জিহাদের চেয়ে তোমাদের কাছে অধিক প্রিয় হয়—তবে অপেক্ষা কর…”
এখানে আল্লাহর পথে অঙ্গীকারকে পার্থিব আসক্তির ঊর্ধ্বে রাখার কথা বলা হয়েছে।
8) কুরআন ৯:৮৬ “যখন অবতীর্ণ হয়—‘আল্লাহর প্রতি ঈমান আনো এবং তাঁর রাসূলের সাথে জিহাদ কর’—তখন তাদের সামর্থ্যবানরা অব্যাহতি চায়…”
এ আয়াতে মুনাফিকদের আচরণ তুলে ধরা হয়েছে।
9) কুরআন ৯:৮৮: “কিন্তু রাসূল ও তাঁর সাথে যারা ঈমান এনেছে তারা তাদের সম্পদ ও জীবন দিয়ে জিহাদ করেছে…”
এখানে সত্যিকার মুমিনদের বৈশিষ্ট্য বর্ণিত হয়েছে।
10) কুরআন ৯:৮১: যানে) পিছিয়ে রইল, তারা বসে থাকাতেই আনন্দ পেল…”
এটি জিহাদ থেকে বিরত থাকা লোকদের সমালোচনার প্রেক্ষাপট।
11) কুরআন ৪৯:১৫ (সূরা আল-হুজুরাত): “মুমিন তো তারাই যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনে… এবং তাদের সম্পদ ও জীবন দিয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করে।”
এখানে জিহাদকে সত্যিকারের ঈমানের পরিচায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
12) কুরআন ৩:১৯৫: “…যারা হিজরত করেছে, দেশ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে, আমার পথে কষ্ট পেয়েছে এবং যুদ্ধ করেছে—আমি অবশ্যই তাদের পাপ মোচন করব…”
এ আয়াতে ত্যাগ ও ধৈর্যের প্রতিদান বর্ণিত হয়েছে।
প্রেক্ষাপটে: আল্লাহর পথে প্রচেষ্টা, আত্মশুদ্ধি, দাওয়াহ এবং প্রতিরক্ষামূলক যুদ্ধ:
১) কুরআন ২:২৪৭: “আর তাদের নবী বলল, ‘আল্লাহর পথে যারা জিহাদ করবে, তাদেরকে আমি কোনো ভয় দেখাব না এবং তারা কষ্টও পাবে না।’
এখানে জিহাদকে ভয়মুক্ত ও আল্লাহর সাহায্যের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে।
২) কুরআন ২:২৬৯: “আল্লাহ যাকে চান জ্ঞান দেন। এবং যারা আল্লাহর পথে প্রচেষ্টা (জিহাদ) করে, তাদের জন্য সঠিক পথ নির্দেশ রয়েছে।”
জিহাদকে সঠিক পথের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।
৩) কুরআন ৪:৭৬: “যারা ঈমান এনেছে, তারা আল্লাহর পথে যুদ্ধ করে; আর যারা কাফির, তারা দুনিয়ার প্রতি লিপ্ত।”
এখানে জিহাদকে বিশ্বাস ও নৈতিক দ্বন্দ্বের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে।
৪) কুরআন ৪৯:৯: “যদি দুই দল মুমিনদের মধ্যে লড়াই করে, তাদের মধ্যে শান্তি স্থাপন কর, এবং আল্লাহর পথে দৃঢ় থাক।”
জিহাদকে সংঘর্ষের মধ্যে শান্তি ও ন্যায়ের সাথে সম্পর্কিত করা হয়েছে।
৫) কুরআন ৫:৩৫: “আল্লাহকে ভয় কর এবং তাঁর পথে প্রচেষ্টা (জিহাদ) কর, যাতে তুমি সফল হও।”
আল্লাহর পথে প্রচেষ্টা জীবনের সর্বাত্মক পরিশ্রমকে বোঝায়।
১) কুরআন ২:১৯০: তোমরা আল্লাহর পথে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কর যারা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে, কিন্তু সীমালঙ্ঘন করো না। আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না।”
এটি প্রতিরক্ষামূলক যুদ্ধের নীতি নির্দেশ করে।
২) কুরআন ৪:৭৪: “তারা যারা পার্থিব জীবনকে আখিরাতের বিনিময়ে বিক্রি করে, আল্লাহর পথে যুদ্ধ করুক।”
এখানে আত্মত্যাগ ও ঈমানের পরীক্ষা বোঝানো হয়েছে।
৩) কুরআন ৮:৬০ “তোমরা তাদের বিরুদ্ধে যতটা সম্ভব শক্তি ও অশ্ববাহিনী প্রস্তুত রাখ, যাতে আল্লাহ ও মুসলিমদের শত্রুরা তোমাদের ভয়ে সংকোচে আসে।”
এটি প্রতিরক্ষামূলক প্রস্তুতির নির্দেশ।
৪) কুরআন ৯: “…যদি তারা সত্যের পথে ফিরে আসে এবং সালাত কায়েম করে এবং যাকাত দেয় এবং আল্লাহর পথে জিহাদ করে, তবে তাদেরকে ক্ষমা করা হবে।”
এখানে প্রত্যাবর্তনের ও ক্ষমার সুযোগ উল্লেখ আছে।
৫) আয়াত: ৬০:১০
“ওহে যারা ঈমান এনেছ! যখন মুহাজির হয়ে মুমিন নারীরা তোমাদের কাছে আসে। তখন তোমরা তাদের যাচাই করে নিও। তাদের ঈমান সম্পর্কে আল্লাহই অধিক অবগত। সুতরাং যদি তোমরা তাদেরকে মুমিনা হিসাবে জানতে পারো, তাহলে তাদেরকে কাফিরদের কাছে ফিরিয়ে দিওনা। তারা ওদের জন্য হালাল নয় এবং হালাল হবে না ওরা তাদের জন্য। এবং ওদেরকে তা দিয়ে দাও, যা ওরা ব্যয় করেছে। আর তাদেরকে বিয়ে করাতে তোমাদের অন্যায় নেই, যখন তোমরা তাদেরকে তাদের পাওনা দিবে। এবং তোমরা কাফিরদের বন্ধন ধরে রেখ না। এবং তা চেয়ে নাও যা তোমরা ব্যয় করেছ, আর ওরা যেন চেয়ে নেয় যা ওরা ব্যয় করেছে। তোমাদের সেগুলো আল্লাহর নির্দেশ। তিনি তোমাদের মাঝে মীমাংসা করেন। আর আল্লাহ বিস্তৃত জ্ঞানসম্পন্ন, প্রজ্ঞাময়।।”
এখানে সামাজিক সম্পর্ক ও জিহাদ একসাথে দেখানো হয়েছে।