কোন শপথের জন্য আল্লাহ আমাদের পাকড়াও করবেন আর কোনটির জন্য করবেন না? শপথ ভঙ্গ করলে তার প্রায়শ্চিত্ত বা কাফফারা কী? আর তওবার প্রকৃত স্বরূপই বা কী?
সম্মানিত উপস্থিতি! আল-কুরআন মাজীদ আমাদের প্রতিটি কথা ও অঙ্গীকারের প্রতি অত্যন্ত দায়বদ্ধ হতে শেখায়। শপথ বা প্রতিজ্ঞা কেবল সামাজিক কোনো লৌকিকতা নয়, বরং এটি রব্বুল আলামিনকে সাক্ষী রেখে করা একটি আধ্যাত্মিক চুক্তি। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে—কোন শপথের জন্য আল্লাহ আমাদের পাকড়াও করবেন আর কোনটির জন্য করবেন না? শপথ ভঙ্গ করলে তার প্রায়শ্চিত্ত বা কাফফারা কী? আর তওবার প্রকৃত স্বরূপই বা কী?
আল-কুরআন মাজীদ মানুষের জিহ্বা ও অন্তরের সংকল্পের মধ্যে এক সুগভীর নৈতিক ভারাসাম্য স্থাপন করে। আমরা কখন শপথ করি, কেন করি এবং সেই শপথের দায়বদ্ধতা আল্লাহর কাছে কতটুকু—তা ওহীর আয়াতের মাধ্যমেই স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। বিশেষ করে সূরা আত-তাহরীম-এর প্রথম দুই আয়াত শপথের জটিলতা ও তার মুক্তির পথ সম্পর্কে এক বৈপ্লবিক দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
➥ প্রতিশ্রুতি বা শপথ: আয়াত ১৬:৯১০-৯৬
নিম্নে ওহীর দালিলিক প্রমাণ ও গভীর অনুধ্যানের মাধ্যমে বিষয়টির অনুধ্যান শেয়ার করছি-বিঈযনিল্লাহ!
শপথের শ্রেণিবিভাগ: অনর্থক বনাম সংকল্পবদ্ধ:
আল্লাহ রব্বুল আলামিন মানুষের অসতর্ক মুহূর্তের ভুলকে বিশেষ ছাড় দিয়েছেন, কিন্তু অন্তরের দৃঢ় সংকল্পকে দায়বদ্ধ করেছেন। ওহীর ঘোষণা হলো:
“তোমাদের অনর্থক (লাগো) শপথের জন্য আল্লাহ তোমাদের পাকড়াও করবেন না; কিন্তু তোমাদের অন্তরের সংকল্পের (আক্বাত্তুমুল আইমান) জন্য তিনি তোমাদের পাকড়াও করবেন।” (৫:৮৯, ২:২২৫)
এখানে ‘লাগো’ (لغو) এবং ‘আক্বাত্তুম’ (عقدتم) শব্দ দুটি বিপরীতার্থক। ‘লাগো’ হলো সেই শব্দ যা কেবল অভ্যাসবশত বা অসতর্কতায় বেরিয়ে আসে। আর ‘আক্বাত্তুম’ হলো সেই শপথ যা মানুষ কোনো বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে নিজের অন্তর থেকে ‘গ্রন্থি’ বা ‘আকদ’ পাকায়। আল্লাহ এই ‘গ্রন্থি’ বা অন্তরের চুক্তির জন্যই মানুষকে জবাবদিহিতার আওতায় আনবেন।
শপথ যখন ওহীর সীমালঙ্ঘন: সূরা আত-তাহরীম-এর তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ:
মানুষ অনেক সময় আবেগের বশবর্তী হয়ে বা কাউকে সন্তুষ্ট করতে এমন শপথ করে ফেলে, যা আল্লাহর হালাল করা বিষয়কে নিজের ওপর হারাম করে দেয়। আল্লাহ রব্বুল আলামিন সালামুন আলা মুহাম্মাদ-কে উদ্দেশ্য করে বলেন:
“হে নবী! আল্লাহ তোমার জন্য যা হালাল করেছেন তা তুমি কেন হারাম করছ? তুমি কি তোমার স্ত্রীদের সন্তুষ্টি কামনা করছ? আর আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।” (৬৬:১)
গভীর অনুধ্যান: এই আয়াতে আল্লাহ নির্দেশ দিচ্ছেন যে, আল্লাহর দেওয়া আইন বা রিযিককে অস্বীকার করে নিজের ওপর কোনো কিছু ‘হারাম’ ঘোষণা করা একটি বিচ্যুতি। আপনি যদি শপথ করেন যে “আমি আর কখনোই এই উত্তম খাবার খাব না” কেবল কাউকে খুশি করতে—তবে সেই শপথ ওহীর ‘মিজান’ বা ভারসাম্যের পরিপন্থী। পরের আয়াতেই আল্লাহ এর সমাধান দিয়েছেন:
“অবশ্যই আল্লাহ তোমাদের জন্য তোমাদের শপথ থেকে মুক্তির উপায় (তাহিল্লাহ) নির্ধারণ করে দিয়েছেন।” (৬৬:২)
এখানে ‘তাহিল্লাহ’ (تحلة) শব্দটি ‘আকদ’ বা ‘গ্রন্থি’র বিপরীত। অর্থাৎ আপনি যে শপথের গ্রন্থি দিয়ে নিজেকে আবদ্ধ করেছিলেন, আল্লাহ তা ‘খোলার’ বা ‘উন্মুক্ত করার’ অনুমতি দিয়েছেন।
শপথের কাফফারা বা প্রায়শ্চিত্ত (৫:৮৯):
যদি কেউ ওহীর বিধান অনুযায়ী কোনো সংকল্পবদ্ধ শপথ রক্ষা করতে ব্যর্থ হয় বা সেই শপথ থেকে মুক্ত হতে চায়, তবে তার ওপর একটি সামাজিক ও আর্থিক দায়বদ্ধতা অর্পিত হয়। এটিই হলো ‘কাফফারা’। আল্লাহ রব্বুল আলামিন এর তিনটি পর্যায়ক্রমিক পদ্ধতি বর্ণনা করেছেন:
১. দশজন মিসকীনকে আহার দান: নিজের পরিবারকে যা খাওয়ান, তার মধ্যম মানের খাবার দিয়ে দশজন দরিদ্র মানুষকে তৃপ্ত করা।
২. বস্ত্র দান: অথবা সেই দশজন মিসকীনকে পোশাক দেওয়া।
৩. মুক্তিকামীকে সাহায্য: অথবা একজন দাস মুক্তি দেওয়া (বুরকাহ)।
বিকল্প ওহী-বিধান: “অতঃপর যার সামর্থ্য নেই, তার জন্য তিন দিন সিয়াম (রোজা) পালন করা। এটিই তোমাদের শপথের কাফফারা (যালিকা কাফ্ফারাতু আইমানিকুম)।” (৫:৮৯)
অঙ্গীকারের ভয়াবহতা ও শয়তানি প্ররোচনা:
আল্লাহ সু.তা. মানুষকে সতর্ক করেছেন যেন তারা তুচ্ছ পার্থিব স্বার্থে নিজের শপথকে প্রবঞ্চনার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না করে। “তোমরা তোমাদের শপথকে একে অপরের মধ্যে প্রবঞ্চনার (দখলান) বিষয় করো না।” (১৬:৯৪)। ওহীর এই সূক্ষ্ম সংকেতটি নির্দেশ করে যে, যারা শপথকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে মিথ্যা বলে, তাদের ‘পদস্খলন’ অনিবার্য এবং তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি।
তওবা: ফিরে আসার পদ্ধতি- বিচ্যুতি থেকে ওহীর দিকে প্রত্যাবর্তন:
শপথ ভঙ্গের গুনাহ বা ওহীর সীমা লঙ্ঘনের পর ফিরে আসার নামই হলো তওবা। ওহীর অনুধাবনে তওবা কেবল জিহ্বার কাজ নয়। “নিশ্চয়ই আল্লাহ তাদের তওবা কবুল করেন যারা অজ্ঞতাবশত (বি-জাহালাহ) মন্দ কাজ করে, অতঃপর শীঘ্রই তওবা করে।” (৪:১৭)।
তওবা মানে হলো নিজের ভুল স্বীকার করা (যালামতু নাফসী) এবং আল্লাহর নির্ধারিত ‘তাহিল্লাহ’ বা কাফফারার মাধ্যমে পুনরায় ওহীর নূরে নিজেকে সিক্ত করা।
১. তওবাতান নাসূহা (বিশুদ্ধ তওবা):
আল্লাহ বলেন: “হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহর কাছে তওবা করো বিশুদ্ধ তওবা (তওবাতান নাসূহা)।” (৬৬:৮)। এর অর্থ হলো পাপাচার ত্যাগ করে কল্যাণের দিকে এমনভাবে ফিরে আসা যেন পূর্বের সেই ভুলের পুনরাবৃত্তি না ঘটে।
২. নিরাশার পরিবর্তে রহমত:
আল্লাহ রব্বুল আলামিন নিরাশ হতে নিষেধ করেছেন: “বলো—হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের ওপর জুলুম করেছ, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সকল পাপ ক্ষমা করেন।” (৩৯:৫৩)
৩. তওবার শর্ত:
ওহীর অনুধাবন অনুযায়ী তওবা কবুল হওয়ার শর্ত হলো—ভুল স্বীকার করা, অনুতপ্ত হওয়া এবং ভবিষ্যতে তা না করার সংকল্প করা। আল্লাহ বলেন: “আর যে তওবা করে ও ঈমান আনে এবং সৎকাজ করে, আল্লাহ তাদের মন্দ কাজগুলোকে নেক কাজ দিয়ে পরিবর্তন করে দেবেন।” (২৫:৭০)
যৌক্তিক পূর্ণতা ও উপসংহার:
আল-কুরআনের এই সামগ্রিক নজম বিশ্লেষণ করলে এটি স্পষ্ট হয় যে:
১. আল্লাহ মানুষকে তার সীমাবদ্ধতা ও আবেগের বিচ্যুতি থেকে মুক্তির সুযোগ দিয়েছেন (৬৬:১-২)।
২. শপথ যদি আল্লাহর হালাল করা বিষয়ের বিপক্ষে যায়, তবে তা ভঙ্গ করে কাফফারা দেওয়াই হলো ওহীর দাবি।
৩. কাফফারা (৫:৮৯) হলো একটি সামাজিক সংশোধন ব্যবস্থা, যা অপরাধের গ্লানিকে অভাবগ্রস্তের উপকারের মাধ্যমে ধুয়ে ফেলে।
৪. আল্লাহর নামকে (শপথের মাধ্যমে) ঢাল বানিয়ে প্রবঞ্চনা করা থেকে বিরত থাকাই হলো ঈমানের পরিচয়।
সুতরাং, ওহীর সংযোগে থাকা মানে হলো নিজের প্রতিটি কথার গুরুত্ব বোঝা এবং যদি কোনো ভুল শপথ করে ফেলি, তবে ওহীর বাতলে দেওয়া পথে (কাফফারা ও তওবা) পুনরায় রব্বুল আলামিনের রহমতের ছায়াতলে ফিরে আসা।
আইয়ুব (সা.আ.)-এর শপথ ও সূক্ষ্ম সমাধান (৩৮:৪৪)
আল্লাহ রব্বুল আলামিন সালামুন আলা আইয়ুব (সালামুন আলাইহে)-এর কঠিন পরীক্ষার পর তাঁর প্রতি রহমতের কথা বর্ণনা করতে গিয়ে তাঁর পরিবারের (যিনি তাঁর স্ত্রী ও সন্তানাদি অন্তর্ভুক্ত) কথা উল্লেখ করেছেন:
“আর আমি তাকে দান করলাম তার পরিবার-পরিজন (আহলাহু) এবং তাদের সাথে তাদের সমপরিমাণ আরও; আমার পক্ষ থেকে রহমতস্বরূপ এবং জ্ঞানবানদের জন্য উপদেশস্বরূপ।” (৩৮:৪৩)
এখানে ‘আহলাহু’ (أَهْلَهُ) শব্দটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আল-কুরআনের পরিভাষায় ‘আহল’ বলতে স্ত্রী এবং নিকটতম পরিবারকে বোঝানো হয় (যেমন সালামুন আলা লূত-এর ক্ষেত্রে তাঁর স্ত্রীকেও ‘আহল’ বলা হয়েছে, যদিও তিনি বিচ্যুত ছিলেন)। সুতরাং, ৩৮:৪৩ আয়াতে পরিবার ফিরে পাওয়ার ঘোষণার ঠিক পরেই ৩৮:৪৪ আয়াতে শপথের বিষয়টি আসা এক গভীর তাত্ত্বিক সংযোগ নির্দেশ করে।
শপথ পালনের ওহী-ভিত্তিক দালিলিক প্রমাণ (৩৮:৪৪)
আল্লাহ সু.তা. আইয়ুব (সালামুন আলাইহে)-কে তাঁর একটি কঠিন শপথ থেকে মুক্তির উপায় শিখিয়ে দিলেন:
“আর তুমি তোমার হাতে এক মুঠো শলাকা (দিগ্ছান) নাও এবং তা দিয়ে আঘাত করো, আর তোমার শপথ ভঙ্গ করো না (ওয়া লা তাহনাস)।” (৩৮:৪৪)
তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ও অনুধাবন:
১. শপথের ইঙ্গিত: এই আয়াতে যদিও ‘স্ত্রী’ শব্দটি সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি, কিন্তু পূর্ববর্তী আয়াতে (৩৮:৪৩) ‘পরিবার’ (আহলাহু) ফিরে পাওয়ার আলোচনার সাথে এটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। অর্থাৎ পরিবারের কোনো সদস্যের প্রতি তিনি যে শপথ করেছিলেন, তা পালনের একটি ‘প্রতীকী’ ও ‘দয়াময়’ পদ্ধতি আল্লাহ এখানে শিখিয়েছেন।
২. উদ্দেশ্য: এখানে মূল উদ্দেশ্য কাউকে শারীরিক কষ্ট দেওয়া নয়, বরং ওহীর পরিভাষায় ‘তাহনাস’ (শপথ ভঙ্গ) করা থেকে রক্ষা করা। এটি প্রমাণ করে যে, আল্লাহর কাছে তাঁর বান্দার ‘ওয়াদা’ বা ‘শপথ’-এর মর্যাদা কত বিশাল।
যৌক্তিক সংযোগ: কেন সরাসরি স্ত্রীর কথা বলা হয়নি?
আল-কুরআন মাজীদ অনেক সময় ব্যক্তিকেন্দ্রিক আলোচনার চেয়ে ‘নীতি’ (Principle) ও ‘মর্যাদা’ (Dignity)-কে বেশি প্রাধান্য দেয়। ৩৮:৪৩ আয়াতে পরিবারের প্রতি আল্লাহর যে ‘রহমত’ বা দয়ার কথা বলা হয়েছে, ৩৮:৪৪ আয়াতে ‘তৃণগুচ্ছ দিয়ে আঘাত করার’ নির্দেশটি সেই রহমতেরই একটি বাস্তব প্রতিফলন। যদি আল্লাহ কঠোর হতেন, তবে তিনি তাঁর নবীকে কঠিন শাস্তির মাধ্যমেই শপথ পূর্ণ করতে বলতেন। কিন্তু আল্লাহ তাঁর নবীর ‘ধৈর্য’ এবং তাঁর পরিবারের ‘পবিত্রতা’ রক্ষা করতে এই কোমল পদ্ধতিটি ওহীর মাধ্যমে শিখিয়ে দিয়েছেন।
শপথ থেকে মুক্তির সাধারণ বিধান:
সালামুন আলা আইয়ুব -এর এই বিশেষ ঘটনাটি মূলত আল-কুরআনের অন্য একটি সাধারণ আইনেরই প্রয়োগ, যা আমরা সূরা আত-তাহরীমে পাই:
“অবশ্যই আল্লাহ তোমাদের জন্য তোমাদের শপথ থেকে মুক্তির উপায় (তাহিল্লাহ) নির্ধারণ করে দিয়েছেন।” (৬৬:২)
সালামুন আলা আইয়ুব (সালামুন আলাইহে)-এর ক্ষেত্রে এই ‘তাহিল্লাহ’ বা মুক্তির উপায় ছিল—তৃণগুচ্ছ দিয়ে প্রতীকী আঘাত। এর মাধ্যমে ওহী এটিই প্রমাণ করে যে, মানুষের আবেগপ্রসূত কোনো কঠোর শপথ যেন পারিবারিক রহমত ও দয়াকে (৩০:২১) নষ্ট না করে।
শপথ রক্ষা ও ক্ষমা প্রার্থনায় আল-কুরআনের প্রাসঙ্গিক দুআসমূহ:
رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِن نَّسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا
(উচ্চারণ:রাব্বানা লা তুআখিযনা ইন নাসিনা আও আখতা’না) — “হে আমাদের রব! যদি আমরা ভুলে যাই কিংবা ভুল করি, তবে আমাদের পাকড়াও করবেন না।” ২:২৮৬:
رَبَّنَا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَكَفِّرْ عَنَّا سَيِّئَاتِنَا
(উচ্চারণ: রাব্বানা ফাগফির লানা যুনুবানা ওয়া কাফ্ফির আন্না সাইয়িআতিনা) — “হে আমাদের রব! আমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করুন এবং আমাদের মন্দ কাজগুলো মুছে দিন।” ৩:১৯৩:
رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنفُسَنَا وَإِن لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا
(উচ্চারণ: রাব্বানা যালামনা আনফুসানা ওয়া ইল-লাম তাগফির লানা ওয়া তারহামনা) — “হে আমাদের রব! আমরা নিজেদের ওপর জুলুম করেছি; আপনি যদি আমাদের ক্ষমা ও দয়া না করেন, তবে আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবো।” ৭:২৩:
رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا
(রাব্বানা লা তুজিগ কুলুবানা বা‘দা ইজ হাদায়তানা) “হে আমাদের রব! সরল পথ প্রদর্শনের পর আপনি আমাদের অন্তরকে বিচ্যুত করবেন না।” ৩:৮:
رَبَّنَا أَتْمِمْ لَنَا نُورَنَا وَاغْفِرْ لَنَا
(উচ্চারণ: রাব্বানা আতমিম লানা নূরানা ওয়াগফির লানা) — “হে আমাদের রব! আমাদের জন্য আমাদের নূরকে পূর্ণ করে দিন এবং আমাদের ক্ষমা করুন।”-৬৬:৮
সাদাকাল্লাহু ওয়া রাসূলুহ (৩৩:২২)
সুবহানা রব্বিকা রব্বিল ‘ইযযাতি ‘আম্মা ইয়াসিফুন। ওয়া সালামুন ‘আলাল মুরসালীন। ওয়াল হামদু লিল্লাহি রব্বিল ‘আলামীন। (৩৭:১৮০-১৮২)
